তরুণ মুখোপাধ্যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর:- বৃহস্পতিবার বাংলার বাড়ি স্বপ্নের দিশারী শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো রিষড়া পৌরসভার নারায়ণ চন্দ্র ব্যানার্জি সভাকক্ষে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের যে সমস্ত উপভোক্তার বাড়ি পেয়েছেন বা আবেদন করেছেন সেই সমস্ত মানুষদের নিয়ে আলোচনা চক্রে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা হল। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রিষড়া পৌরসভার মুখ্য প্রশাসক বিজয় সাগর মিস্র জানান বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আমাদের রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে রিষড়া পৌরসভাও অনেকটাই এগিয়ে আছে। ইতিমধ্যে প্রায় দুহাজার পৌরবাসীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। রাজ্য সরকার এবং পুরসভা মিলে এই প্রকল্পের কাজ করছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর একটাই স্বপ্ন যেন এ রাজ্যের কোন মানুষ খোলা আকাশের নিচে না বাস করেন। তারই স্বপ্নের প্রকল্প দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এদিনের এই আলোচনা চক্রে যে সমস্ত উপভোক্তারা অংশ নিয়েছিলে তারা অত্যন্ত খুশি এই প্রকল্পের আওতায় তাদের নিয়ে আসার জন্য। তারা জানিয়েছেন যেভাবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের মাথার উপর ছাদের বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আজকের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ পৌর প্রশাসক প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য এবং কো-অর্ডিনেটর গণ।
Related Articles
নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্রীরামপুর কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপক।
হুগলি, ২৪ মার্চ:- হিন্দমোটরের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করে। তাদের কাছে উত্তরপাড়া মাখলার এক তরুনী তার বোনকে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের ঘটনার কথা জানান। দুই বোনের মা তাদের কাছে থাকে না।বড় বোন মাখলায় কাকার কাছে থাকে। ছোটো মেয়েকে নিয়ে মুম্বাইতে কিছুদিন ছিল তার বাবা। দিন পনের আগে ফিরে এসে মেয়েকে বাবা অধ্যাপকের বাড়িতে দিয়ে […]
কলকাতা পুলিশের ভাঙ্গড় ডিভিশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর।
কলকাতা, ৮ জানুয়ারি:- ঘোষণা হয়েছিল আগেই। সেই ঘোষণা মতো সোমবার আত্ম প্রকাশ করল কলকাতা পুলিশের ভাঙড় ডিভিশন। কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা পুলিশের এই দশম ডিভিশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সবমিলিয়ে ২০০’রও বেশি পুলিশ কর্মী দায়িত্ব নেবেন ভাঙড়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার। এই ডিভিশনের আওতায় রয়েছে আটটি থানা। সেগুলি হচ্ছে হাতিশালা, পোলেরহাট, উত্তর […]
মৃৎশিল্পীদের শিল্পীভাতা ও সরকারি ঋণের ব্যাবস্থা করুক সরকার , এমনই দাবি আরামবাগের শিল্পীদের।
মহেশ্বর চক্রবর্তী, ৭ সেপ্টেম্বর:- দ্বারকেশ্বর নদীর পাড়ে সারি সারি কাশফুল ফুটেছে। বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজো আসছে। কিন্তু হুগলি জেলার আরামবাগের রামপাড়ায় বিষাদের সুর। ঠাকুর গড়ার বরাত এখনো সেই ভাবে না আশায় হতাশায় মৃৎশিল্পীরা। দ্বারকেশ্বর নদীর পাড়ে অবস্থিত রামপাড়ায় কয়েশো মৃৎশিল্পী পরিবারের বাস।করোনা পরিস্থিতিতে পুজোর ঠাকুর গড়ার কাজ অনেকটাই ধীর গতিতে চলছে। দুই একটা যা […]











