কলকাতা,১৯ ডিসেম্বর:- এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) বিরোধীতায় কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ পদযাত্রা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোম থেকে বুধ প্রতিবাদে শহরের রাজপথ কাঁপানোর পর বৃহস্পতিবার রানি রাসমনি রোডে প্রতিবাদ সভা করলেন তিনি। এদিন সভার শুরুতেই কাঁসর ঘন্টা বাজান মুখ্যমন্ত্রী। আমরা সবাই নাগরিক এই আওয়াজ তাকে আমাদের তুলে ধরতে হবে। কারো দয়ায় আমরা এখানে বাস করি না। ৭৩ বছর পর আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা নাগরিক কি নাগরিক না এটা খুব লজ্জার। বিজেপির নেতারা দেশের স্বাধীনতার আন্দোলন করেনি। দেশ ভাগাভাগি করছে এখন। আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে। আমরা নানান সামাজিক আন্দোলন করবো। এই ভাবে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাবো। নাগরিক সংশোধনী আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। একটা রাজনৈতিক দল ঠিক করবে কে থাকবে আর কে থাকবে না,সেটা হয় না। বিজেপির বিরুদ্ধে আছে ৬২% মানুষ। আজ আমাদের দুর্ভাগ্য। বিজেপির মাদুলি পরে প্রমাণ করতে হবে। যে আমরা এই দেশের নাগরিক কি নাগরিক না। বিজেপি করলে ভালো না করলে কালো, বিজেপি না করলে জেলে।
রামচন্দ্র গুহার মতো মানুষকে অসম্মান করা হয়েছে। গোটা দেশ জুড়ে প্রতিবাদ হচ্ছে। এটা হিন্দু মুসলমান এর আন্দোলন নয়। দেশের মানুষের আন্দোলন এটা। বিজেপির খেলাকে বন্ধ করে দিন। বিজেপি বাজার থেকে টুপি কিনেছে। এই ধরনের টুপি পরে অশান্তির করবে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিজেপি ফেক ভিডিও করে। এটাকে বিশ্বাস করবেন না। এটাকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। টাকা অনলাইনে নাম তুলে দিতে পারে ভুল ভাবে সেখানে নাম তুলতে পারে বিজেপি। সেখানে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণনার নাম করে ফন্দি হতে পারে। সেই কারণে আমরা এখানে জনগণনা করতে দিচ্ছি না। সবাইকে ভয় দেখিয়ে, সংবিধান না মেনে যা ইচ্ছা করে দেওয়া হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, দিল্লি বিজেপি শাসিত রাজ্যে ১৪৪ ধারা লাগু করা হয়েছে। যত দিন যাবে বাংলার মাটিতে আন্দোলন আরো বাড়বে। এই আন্দোলন নিজের অস্তিত্বের আন্দোলন। যত দিন যাবে বিজেপি তত ধাক্কা খাবে। তাই ধাক্কা সামলাতে হলে গণভোট হোক। রাষ্ট্রপুঞ্জের অধীনে হবে ভোট। একটা কমিটি তৈরি করে হোক ভোট। আগুন নিয়ে খেলবার চেষ্টা করবেন না। সব কিছু ফিরে পাওয়া যায়। অস্তিত্ব হারিয়ে গেলে সেটা আর ফিরে পাওয়া যায় না।Related Articles
রাজস্থানের শিল্পকলাকে মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা শ্রীরামপুরের নেতাজি মোড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির
হুগলি, ৬ অক্টোবর:- হুগলির ঐতিহ্যশালী শহর শ্রীরামপুরের দুর্গাপুজোর খ্যাতি সর্বজনবিদিত। এই পুজো গুলির মধ্যে অন্যতম সেরা পুজো নেতাজি মোড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজো। গত কয়েক বছর ধরে তাদের পুজো হাজার হাজার দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে, এ বছর তারা এই উৎসব পালন করছে। ইতিমধ্যে গত একমাস ধরে এই পুজোর মণ্ডপসজ্জা চলছে। এ বছরে তাদের ভাবনা বা থিম […]
১৮ই আগষ্ট ভারতের অন্তভূক্তি দিবস উদযাপন নদীয়ায়, তোলা হলো জাতীয় পতাকা৷
নদীয়া, ১৮ আগস্ট:- ১৯৪৭ সালে ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হলেও ভাগাভাগির নিরিখে পূর্ব পাকিস্তানের অধীনে ছিল নদীয়া জেলার বিস্তীর্ন অংশ। ভারতবর্ষের মানচিত্রের ওপর র্র্যাড ক্লিফ যে দাগ কেটে ছিলেন তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন ১৯৪৭-এর দশকে ভারতের তিন পন্ডিতের এক পন্ডিত নদীয়া জেলার পন্ডিত লহ্মীকান্ত মৈত্র৷ সেই সময় পন্ডিত লহ্মীকান্ত মৈত্র দিল্লীতে পন্ডিত জওহরলাল নেহরুকে বোঝাতে […]
লাইব্রেরি স্যারের অবসরের খবরে বিষাদের সুর পাঠক মহলে , জানাজানি হতেই চর্চা শুরু আরামবাগের বইপ্রেমীদের।
মহেশ্বর চক্রবর্তী, ২৮ জুন:- লাইব্রেরির স্যার অবসর নিচ্ছেন বলে বিষাদের সুর পাঠক মহলে। সকলের প্রিয় ছিলেন তিনি। ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে ষাটোর্ধ পাঠক মহলের প্রিয় ও ভালোবাসার পাত্র ছিলেন হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমা গ্রন্থাগারের সহকারি লাইব্রেরিয়ান উত্তম ভট্টাচার্য। পড়াশোনা আর লাইব্রেরি অন্ত প্রান ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, ১৯৮২ সালের ৩রা জানুয়ারি সালেপুর নগেন্দ্র সাধারণ পাঠাগারে […]










