এই মুহূর্তে কলকাতা

ডিজিটাল অর্থনীতির প্রচারই সাক্ষরতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।


কলকাতা, ১০ জানুয়ারি:- ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি এর সুযোগ সকলের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার উপায় এবারের জি-টোয়েন্টি আর্থিক বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। ডিজিটাল অর্থনীতির প্রচারে অর্থনৈতিক সাক্ষরতা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বৈঠকের আয়োজকরা মনে করছেন। এই সাক্ষরতা প্রসারের অঙ্গ হিসেবে মঙ্গলবার উঁচু ক্লাসের স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে এক আলোচনা চক্র আয়োজন করা হয় জি-টোয়েন্টি বৈঠকের অঙ্গ হিসেবে। জাতীয় কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন ব্যাংক নাবার্ড এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফাইনান্সিয়াল এডুকেশন এনসিএফই – র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই সম্মেলনে বিভিন্ন স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ১৮০০ পড়ুয়া অংশ নেয় বলে উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেখানে তাদের জি-টোয়েন্টি বৈঠকের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা হয়।

একইসঙ্গে অর্থনীতির অ আ-ক-খ, ব্যাংকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট, বীমা, বিনিয়োগ, আর্থিক প্রতারণার বিপদ ও তার থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে অবহিত করেন বিশেষজ্ঞরা। সম্মেলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের দেওয়া হয় যোগদানের শংসাপত্র। এর পাশাপাশি কলকাতায় জি – ২০ র ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ন বৈঠক ও আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়। এদিনের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল বাইপাসের ধারের একটি পাঁচতারা হোটেলে। সেখানে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আলোচনা হবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বহুদেশিক অংশীদারিত্ব নিয়ে। এছাড়া স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে জি-টোয়েন্টি বৈঠকের গুরুত্ব এবং আর্থিক সাক্ষরতা প্রসারে এক বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে চলছে হস্তশিল্প ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রদর্শনী। যা চলবে বুধবার অধিবেশনের শেষ দিন পর্যন্ত।