এই মুহূর্তে কলকাতা

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদলকে তীব্র কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর।

কলকাতা, ৭ জুলাই:- কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য থেকে চার নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়াকে কোনও গুরুত্ব দিতে নারাজ মমতা। মন্ত্রিসভার রদবদল করেও ২০২৪ সালের নির্বচনের বৈতরণী পার করা যাবেনা বলে মনে করেন তিনি। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল হয়েছে৷ বাংলা থেকে নতুন চার মুখ মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন৷ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এই রদবদল বলে মনে করা হচ্ছে। এ দিন এব্যপারে প্রশ্ন করলে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপি-র কোনও ভিশনও নেই, মিশনও নেই৷ ওদের শুধু এজেন্সি আছে৷ তাই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে৷ ফলে এসব করে কোনও কাজ হবে না৷ ২০২৪ লস্ট কেস৷ আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লাও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে চলেছেন৷ কয়েকদিন আগেই পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সরব হন তিনি৷

এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা কাকে মন্ত্রী করবে, কাকে সান্ত্রি করবে, কাকে তুলে আনবে, কাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে এটা ওদের দলের বিষয়৷ বিচ্ছিন্নতাবাদী বিজেপি নিজেই আজকে বাবুল সুপ্রিয় খারাপ হয়ে গিয়েছে৷ রাজবংশী ওই মহিলাকেও (দেবশ্রী চৌধুরী) নাকি পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে৷ মানুষের যখন সময় খারাপ হয় আর বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়, তখন এই সব শক্তিকেই খুঁজে বেরায়৷ কিন্তু এই সব শক্তি পাতে দেওয়ার যোগ্য নয়৷ এরা কোনও কাজে লাগবে না৷ এতে বিজেপি সন্তুষ্ট হতে পারে, কিন্তু মানুষের কোনও কাজে লাগবে না৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদলকে বিজেপি-র অভ্যন্তরীণ বিষয় বললেও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের পদত্যাগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর প্রশ্ন, করোনা অতিমারি সামলানোর ব্যর্থতার যাবতীয় দায় শুধুমাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপরে চাপানো হচ্ছে? বাবুল সুপ্রিয়র পদত্যাগ নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া, এখন বাবুল খারাপ হয়ে গিয়েছে!’