সোজাসাপটা ডেস্ক , ১২ জুলাই:- করোনার কবলে এবার বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ ঐশ্বর্যা এবং নাতনি আরাধ্যাও। রবিবার তাঁদের দ্বিতীয় টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। খবরটি জানিয়ে ও তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে। জানা গিয়েছে, করোনার মৃদু উপসর্গ থাকায় শুক্রবারই অমিতাভ বচ্চনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্ট পজিটিভ এলে শনিবার বচ্চন পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় কেবল অভিষেক বচ্চনের রিপোর্ট পজিটিভ বেরোয়। পরিবারের বাকি সদস্যদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর এদিন সকালে ফের জয়া বচ্চন, ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন এবং আরাধ্যার করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্টে জয়া বচ্চন করোনামুক্ত থাকলে আক্রান্ত হয়েছেন ঐশ্বর্যা এবং আরাধ্যা। তাঁদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
Related Articles
সবুজসাথী প্রকল্পের সাইকেল এবার তৈরি হবে এ রাজ্যেই।
কলকাতা, ৩ ফেব্রুয়ারি:- রাজ্যে আগামী এক বছরের মধ্যে আরও বেশ কয়েকটি শিল্প পার্ক তৈরি করা হবে। সবুজ সাথী প্রকল্পের রাজ্যের স্কুলের ছেলেমেয়েদের সাইকেল দেওয়ার কারখানায় তৈরি হবে রাজ্যেই। কলকাতায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে শিল্প ও বানিজ্য সচিব বন্দনা যাদব বলেন, নতুন শিল্পপার্ক তৈরীর জন্যে […]
প্রতারণার শিকার কলেজ ছাত্রী। তদন্তে হাওড়ার সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।
হাওড়া, ১৯ অক্টোবর:- হঠাৎই বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো মুঠোফোনের হোয়াটস অ্যাপ। আর তা চালু করতে গিয়ে প্রতারকদের কবলে পড়েন এক কলেজ ছাত্রী। অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে যায় প্রায় চুয়াল্লিশ হাজার টাকা। তদন্তে নেমেছে সাইবার ক্রাইম থানা। হাওড়ার রাউন্ড ট্যাঙ্ক লেনের বাসিন্দা বিনোদ কেডিয়া গত সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন মোবাইলে তাঁর হোয়াটস অ্যাপ খুলছে না। […]
টোটো চালিয়ে বাড়ি বাড়ি সমস্যা সমাধানে বিধায়ক!
সুদীপ দাস, ১৮ জুন:- একদা রিক্সাচলাকই বর্তমান বিধায়ক। তাও আবার শাসক দল তৃণমূলের। সেই বিধায়কই এখন টোটো চালিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শুধু ঘুরে বেড়ানোই নয়, সাধারনের সমস্যা মেটাতে বদ্ধপরিকর হুগলীর বলাগরের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। মনোরঞ্জনবাবু আদিবাসী সাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান। তাই তিনিও একজন সাহিত্যিক। নিজে সাহিত্যিক হওয়ার এই পথটা কিন্তু কোনদিনই মসৃন ছিলো না মনোরঞ্জনবাবুর। […]








