হুগলি,৯ মে:- করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে মানুষ যখন তটস্থ, লকডাউনে মানুষ যখন ঘরবন্দী , তখনই শেওড়াফুলীর এক নম্বর প্ল্যাটফর্মের ওপর ওভার ব্রিজের ঠিক নিচে পুত্র সন্তান প্রসব করলেন প্ল্যাটফর্মবাসী এক মহিলা। যদিও সন্তান প্রসবের পাঁচদিন পরেও স্থানীয় প্রশাসন বা শাসকদলের কোনো কাউন্সিলর বা নেতা এই মহিলার কাছে আসেন নি। হয়তো তাঁরা সন্ধানই পান নি। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জংশন রেল স্টেশন শেওড়াফুলির রেল কর্তা বা রেল পুলিশও কেন সদ্য মা হওয়া এই প্রসূতি টুম্পা পাশোয়ান ও তার শিশুর যত্ন নিতে এগিয়ে এলো না , সেটাই আশ্চর্যের। শ্রীরামপুরের দে – স্ট্রিটের বাসিন্দা মোহিত কুমার প্রতিদিন নিয়ম করে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন । আশঙ্কা থেকেই যায় যে, করোনা ভাইরাসের এই দাপটের সময় যেকোনো মূহুর্তে মা ও সদ্যজাত শিশুটির শরীরে কোনো রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে। তা তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই এখনই যাতে তাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিতে ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে রেল ও রাজ্য প্রশাসন উদ্যোগী ভূমিকা নেয়, সে ব্যাপারে তাদের অনুরোধ করছি।
Related Articles
রাস্তা তৈরি কেন্দ্র করে তৃনমূল বিজেপি সংঘর্ষে উতপ্ত হরিপাল।
হুগলি, ৩১ মে:- বাড়ির রাস্তা তৈরি কেন্দ্র করে তৃনমূল বিজেপি সংঘর্ষে উতপ্ত হরিপালের খামারচন্ডি গ্রাম। ঘটনায় হরিপাল কলেজের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্ষালয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ বিজেপি দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ বিজেপির হামলার জেরে আশুতোষ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুমিত সরকারের হাতের আঙুল ভেঙে যায়। সংঘর্ষ থামাতে এসে এক পুলিশ কর্মী ইটের ঘায়ে আহত হয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির এক […]
ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে ফাটলকে ঘিরে আতঙ্কিত শান্তিপুরের মানুষ।
নদীয়া, ২৪ জানুয়ারি:- ভাগীরথীতে আবারো নতুন করে ফাটল আতঙ্কে ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। শান্তিপুর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ভাগীরথী তীরবর্তী নদীর পাড় গুলিতে আবারো ফাটল দেখা দেয়। ওই এলাকার মানুষের দাবি আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাগিরথী নদীর পাড়ে গিয়ে দেখেন নতুন করে আবারো ফাটল দেখা দিয়েছে। এরপর এই আতঙ্ক সৃষ্টি হয় নদী তীরবর্তী […]
রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামোর উন্নয়নে ৫৩৮ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে।
কলকাতা, ১৩ মে:- রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫৩৮ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে।আরআইডিএফ বা গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের আওতায় ২২ টি দফতরকে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই সেচ দফতরকে ৩.৫৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। চলতি আর্থিক বছরেই রাজ্যের সেচ দফতরকে আরও ৫৮ কোটি ৯৬ লক্ষ […]










