হুগলি, ১৭ মে :- রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন ঘর ছাড়া হয়েছেন অনেকে দখল হয়েছে পার্টি অফিস। এমনই অভিযোগ করছেন রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের নেতৃত্ব। কোথায় কোথায় তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন তা সরেজমিনে দেখতে তথ্য অনুসন্ধানকারী দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মন্ডলের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল আরামবাগে পরিদর্শন করেন। আজ আবারও প্রতিমা মন্ডল বীর বাহা হাঁসদারা হুগলিতে আসেন। প্রথমে খানাকুলে যান তারা। সন্ধায় চুঁচুড়া বিধানসভা এলাকার কয়েকটি জায়গায় পরিদর্শন করেন। চুঁচুড়া পুরসভার এক নম্বর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের একটি পার্টি অফিস তালা দেওয়া রয়েছে ভোটের ফল বেরোনোর পরেই এই অফিস বিজেপি দখল করেছিল বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে সেই অফিস ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
তবে প্রাক্তন বিধায়কের কাছে চাবি থাকায় হে অফিস আজও খুলতে পারেনি তৃণমূল কর্মীরা। দল হেরেছে তো এখনো তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে বলে তথ্য অনুসন্ধানকারী দলের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বিধানসভার ফল বেড়ানোর পরে ধুতুরা পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরস্বতী পালের বাড়িতে কয়েকজন বিজেপি কর্মি গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। সরস্বতী পালনের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রতিমা মন্ডল বীর বাহা হাঁসদারা জানান, সপ্তগ্রাম এর মহানাদে এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। তেমনি ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়ে আছে যে তারা কোন কথা বলতে চাইছে না।অনেক তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হয়েছে তাদের বাড়ি যেতেও তারা বারণ করছে। আমরা ঘুরে যাওয়ার পর হয়তো আবার আক্রমন হতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত চুঁচুড়া বা সপ্তগ্রাম এ কোন তৃণমূল কর্মী ঘরছাড়া নেই।আমরা পুলিশের কাছে বিষয়টি বলছি যে অফিসগুলো বন্ধ আছে সেগুলি যাতে খোলার ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্যের শাসক দল বলেছিল ভয় নয় ভরসা করুন কিন্তু তাদের কথায় আর কাজে মিল হচ্ছে না। আমরা চাই আপনারা সরকার তৈরি করেছেন রাজ্যের উন্নয়নে নজর দিন। বিরোধীদের আক্রমণ বন্ধ করুন।










