কলকাতা , ৮ ফেব্রুয়ারি:- কর্মরত অবস্থায় কোন সিভিক ভলেন্টিয়ার বা ভিলেজ পুলিশ কর্মী মারা গেলে রাজ্য সরকার তাদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার জন্য সরকারি খাতায় নাম নথিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পৌরহিত্যে আজ বিধানসভায় রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পরিষদ মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন। এছাড়াও হুগলির সিঙ্গুরে দশ দশমিক ২৭ একর জমিতে কৃষি ভিত্তিক একটি শিল্প পার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। ইতিমধ্যে আগ্রহী পাঁচটি সংস্থাকে সেখানে জমি দেওয়া হয়েছে বলে পার্থবাবু জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক পদ থেকে যেসব ব্যক্তি রেজিস্টার, ইনস্পেক্টর অফ কলেজ, সহ রেজিস্টার এর মত প্রশাসনিক পদে গিয়েছেন তাদের অবসরের বয়স ৬২ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ করার একটি প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে।
Related Articles
কেন্দ্রের শিক্ষানীতির সমান্তরাল রাজ্যের শিক্ষানীতিকে অনুমোদন রাজ্য মন্ত্রিসভার।
কলকাতা, ৭ আগস্ট:- কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির সমান্তরালে রাজ্যের নিজস্ব শিক্ষানীতিতে অনুমোদন দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। দিন কয়েক আগেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন যে রাজ্য জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর হচ্ছে না। তার বদলে রাজ্য সরকার নিজস্ব শিক্ষা নীতি বলবৎ করবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য শিক্ষানীতি কার্যকর করতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। সেই কমিটির সুপারিশের […]
এমন কেউ বাপের বেটা নেই যে বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে পারবে। বাংলায় এনআরসি প্রসঙ্গে বললেন অরূপ রায়।
হাওড়া,২৮ ডিসেম্বর:- যতদিন মমতা বাংলায় থাকবেন ততদিন বাংলার প্রতিটি ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে রক্ষা করবেন। কোনওভাবেই বাংলায় এনআরসি হবে না। সিএএ কালা কানুন মানা হবে না। শনিবার সকালে হাওড়া ময়দান মেট্রো চ্যানেলে তৃণমূলের এক অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি বলেন, এমন কেউ বাপের বেটা নেই যে […]
জলের সংযোগ দেওয়া নিয়ে গন্ডগোল হাওড়ার নিশ্চিন্দায়।
হাওড়া, ১৭ জানুয়ারি:- বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের ঘটনা এবার নিশ্চিন্দার সাঁপুইপাড়ায়। ঘটনায় গুলি চলার অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রমেশ নামের মূল অভিযুক্ত। মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভার সাঁপুইপাড়া ১২ নম্বর পোল এলাকায় সরকারি পানীয় জল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য লাইন পাতার কাজ হচ্ছিল। […]








