হুগলি,১২ ডিসেম্বর:- “চলো গ্রামে” কর্মসূচীতে জেলা শাসক সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা এবার গ্রামে গ্রামে।সরকারী বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা কতটা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছোচ্ছে তা সরে জমিনে প্রশাসনের কর্তারা সরাসরি তাদের কাছেই গিয়ে শুচছেন।উন্নত নাগরিক পরিষেবার জন্য জনশুনানীর পাশাপাশি সরকারী পরিষেবা শিবির চলবে।আজ কাল দুদিন দিনরাত ধরে চলবে এই কর্মসূচী।মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী গোটা সচিবালয় মন্ত্রীসভা নিয়ে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক শুরু করেন সাত বছর আগে।উদ্যেশ্য ছিলো সরকারী কাজে গতি আনা।জেলার জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধন।যার অনেকটাই পূরন হয়েছে।তবুও প্রশাসনের কাজে কোনো ফাঁক আছে কিনা,সরকারী প্রকল্পের সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় নবান্ন।
সেই রকমই আজ থেকে হুগলি জেলায় শুরু হলো “গ্রামে চলো”।হুগলি জেলা শাসক ওয়াই রত্নাকর রাও জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নিয়ে বলাগড়ের মহিপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে যান।জনশুনানীর মাধ্যমে গ্রামের মানুষের অভাব অভিযোগ শোনেন।আধার কার্ডের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে একশ দিনের টাকা পাওয়া যাাচ্ছে না,বিদ্যুতের সংযোগের আবেদন করেও পাওয়া যায়নি,বলাগড় পেঁয়াজ চাষের জায়গা কিন্তু সেখানে কোনো সংরক্ষনের ব্যাবস্থা না থাকায় লেকসান হচ্ছ চাষীদের,সেচের জন্য চাষের সমস্যার মত অনেক সমস্যার কথা উঠে আসে জনশুনানীতে।প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারীকদের সেই সব সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন জেলা শাসক।স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মাত্র পাঁচটা করে মুরগি দেওয়া হয়,যা দিয়ে তাদের চলে না,মুরগি আরো বাড়ানোর দাবী জানান স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা।ছোটো সমস্যা হলে জেলাতেই সমাধানের পথ বাতলেছেন। বড় কোনো সমস্যা দাবী চাহিদা থাকলে রাজ্যে থেকে সমাধান করা হবে বলে জানান জেলাশাসক।কর্মসূচীর দ্বিতীয় ভাগে উপভোক্তাদের বাড়ি গিয়েও সরকারী প্রকল্পের বিষয়ে খোঁজ নেন। ছিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী অতিরিক্ত জেলা শাসক প্রদীপ আচার্য,প্রলয় মজুমদার, বলাগড়ের বিধায়ক অসীম মাজি।আজ বলাগড় দিয়ে শুরু হয় গ্রামে চলো।এরপর জেলার বাকি ১৭টি ব্লকেইি চলবে।এতদিন জেলা সদরে গিয়ে জেলা শাসক বা প্রশাসনের কর্তাদের অভাব অভিযোগ সমস্যার কথা জানাতেন প্রত্যম্ত গ্রামের মানুষ।একদিকে দিদিকে বলোর মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করছে শাসকদল।এবার প্রশাসন মানুষের দরজায় পৌঁছে গেলো, প্রশাসনকেই হাতের কাছে পেয়ে তাই খুশি গ্রামবাসীরা।।।।Related Articles
পেয়াঁজ সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় , আলু হাফ সেঞ্চুরির দিকে ছুটছে , হেলদোল নেই সরকারের।
সুদীপ দাস , ৫ নভেম্বর:- পেয়াঁজ সেঞ্চুরির দোরগোড়ায়। আলু হাফ সেঞ্চুরির দিকে ছুটছে। লঙ্কা ইতিমধ্যেই ডবল সেঞ্চুরির ঝাঁঝ দেখিয়েছে। ১০০ টাকার বাজার ভর্তি ব্যাগ হাওয়ায় দুলছে। ২০২০তে রেহাই নেই সাধারন মানুষের। T-20 -র শুরুতে এনআরসি নিয়ে দেশ উত্তাল হয়েছিলো। মাস তিনেক যেতেই চিনা ভাইরাসের প্রভাব শুরু হয়েছে দেশে। যা আজও বর্তমান। তবে বছর শেষে লকডাউন […]
ভেলোর এবং এইমসে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন এরাজ্যের বাসিন্দারা
কলকাতা , ৮ নভেম্বর:- ভেলোরের ক্রিশ্চান মেডিকেল কলেজ বা সিএমসি–তে একেবারে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। বিনামূল্যে চিকিৎসার একই সুবিধা পাওয়া যাবে দিল্লি এইম্সেও, যা দেশের অন্যতম বড় চিকিৎসাকেন্দ্র। তবে এই সুবিধা তাঁরাই পাবেন যাঁরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘স্বাস্থ্যসাথী’র আওতাভুক্ত। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ‘সম্প্রতি ভেলোরের সিএমসি ও দিল্লি এইম্স— এই দুটি […]
সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে নয়া উদ্যোগ সরকারের।
কলকাতা, ৬ জুলাই:- সেফ ড্রাইভ, সেফ লাইফ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যে অভিন্ন গতি নীতি আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে। খড়্গপুর আইআইটি ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গতি নীতি আনতে যাচ্ছে সরকার। খুব শীঘ্রই এটি রাজ্য মন্ত্রিসভা অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে […]







