হুগলি, ৫ মে:- সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে পিপিপি মডেলে চলা ল্যাবে মহিলাদের ইউএসজি করানো হচ্ছে, পুরোনো মেশিনে, লাইসেন্স রিনিউয়াল ছাড়াই! রিপোর্ট ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় মেশিনে ইউএসজি বন্ধ করে দিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আজ সিঙ্গুরে ভোট প্রচারে গিয়ে হঠাৎ সিঙ্গুর গ্রামীন হাসপাতালে দলীয় কর্মিদের নিয়ে হাজির হন হুগলির বিজেপি প্রার্থী। তিনি হাতে কাগজ নিয়ে অভিযোগ করেন যে মেশিনে ইউএসজি করা হচ্ছে গর্ভবতী প্রসূতি মায়েদের তাতে গলদ আছে। কারন মেশিন ২০১৭ সালে নাকি এক্সপায়ার করে গেছে। ২০২২ সালে লাইসেন্স রিনিউ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ল্যাবের যে যায়গায় ইউএসজি হয় সেখানে গিয়ে বসে পরেন লকেট। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মিদের কাছে জানতে চান কি ভাবে এই কাজ করছেন তারা। এক চিকিৎসক জানান, মেশিনে দু একবার রিপোর্টে কিছু গন্ডোগোল হয়েছিল। তারা বিষয়টি বিএমওএইচ মারফত জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরে আনেন।তবে মহিলাদের উপসর্গ দেখে তাদের কিছু সন্দেহ হলে বাইরে থেকে আলট্রাসোনোগ্রাফি করিয়ে নিতে বলেন। চিকিৎসা অর্পিতা মুখার্জি বলেন, অনেক সময় রিপোর্টে দেখা যায় রোগী স্বাভাবিক আছে তবুও তার কিছু সমস্যা হচ্ছে।
তখন আমরা সেকেন্ড অপিনিয়নের জন্য বাইরে রেফার করি। মেশিনটা পুরনো বা কাজ করেনা ২০১৭ সালে এক্সপারি করেছে এগুলো আমাদের জানা ছিল না। লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন,পুরনো মেশিন দিয়ে চালানো হচ্ছে লাইসেন্স ছাড়াই। নতুন মেশিন কেনা হয়নি।আমরা পুলিশে অভিযোগ করবো যারা জেনেশুনেও এতদিন ধরে এসব কাজ করেছে তারা গ্রেপ্তার হবে। মানস নিয়োগী যিনি এটি চালাতেন তিনি লাইসেন্স রিনিউ করেননি, কাকে টাকা দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হবে। হুগলি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃগাঙ্ক মৌলিকর জানান, মেশিনের এক্সপারি বলে কিছু হয়না। লাইসেন্স তার রিনিউ করতে হয়। সেটা হয়ত করেননি যিনি পিপিপি মডেলে চালাচ্ছিলেন। আজ সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতলে বিদায়ী সংসদ গিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।পিএনডিটি এক্ট ১৯৯৪ এর আন্ডারে পিপিপি মডেলে চলে এই গুলো চলে। এর জন্য প্রশাসনের থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর লাইসেন্স নিতে হয়। সেটা না থাকলে আমরা শোকজ করব।সন্তোষজনক উত্তর না পেলে ব্যবস্থা নেব।






