এই মুহূর্তে জেলা

বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটাদের ফেরানোর আর্জি জানাবো প্রধানমন্ত্রীকে – মুকুল রায়।

হুগলি , ২ জানুয়ারি:- বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে টাটা কারখানা নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিলেন বিজেপি সর্বভারতীয় নেতা মুকুল রায়। ক্ষমতায় এসে সিঙ্গুরবাসী নিয়ে প্রধান মন্ত্রীকাছে দরবার করে সিঙ্গুরে শিল্প প্রতিষ্ঠা করবো। শনিবার সিঙ্গুর রেল গেট সংলগ্ন ময়দানে বিজেপির জনসভায় এ কথা বলেন মুকুল রায়। সভায় উপস্থিত ছিলেন হুগলী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, হুগলী জেলা বিজেপি সাংগঠনিক সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জী, জেলা ও রাজ্য নেত্বত। তৃণমূলের সাথে সিঙ্গুরে যে মাটি থেকে টাটাকে বিদায় দিয়েছিলাম সেটা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। শিল্পকে তাড়িয়ে বাংলাকে অন্ধকার করে দিয়েছে তাই সিঙ্গুরে এলে নিজের পাপ বোধহয়। রাজ্য শিল্প প্রশঙ্গে এলে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র কে জিজ্ঞেসা করতে ইচ্ছা করে শিল্প সম্মেলন করে যেটাকা খরচ করেছেনে রাজ্যে কতোটা শিল্প করেছেন?

লিখে রেখেদিন সিঙ্গুরে মাটিতে যে বাজনা দেখলাম ২০২১ এে তৃণমূলের বিদায়ের ঘন্টা বেজে গেছে। সিঙ্গুর দিয়ে শুরু করে ছিলাম তা শেষ করবো বিজেপিকে খমোতায় এনে। সিঙ্গুরের মানুষকে যে ভাঁওতা দেওয়া হয়েছে তা সিঙ্গুরের মানুষকে ক্ষমা করবে না। সিঙ্গুরের মানুষ অপেক্ষা করে আছে, নরেন্দ্র মোদির পতাকা কবে উঠবে নব্বান্নে। সিঙ্গুরে এ্যগ্রোইন্ড্রাষ্টি নিয়ে মুখ্যমন্রী ভুল পথে চালোনা করছে। পারলে সিঙ্গুরে টাটার কারখানা করে দিন। সারদা নারদা প্রসঙ্গে বলেন, তদন্ত চলছে বিজেপি এর শেষ দেখে ছাড়বে, কেউ ছাড় পাবেনা। পাশাপাশি হুগলী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সাস্থ সাথী কার্ড নিয়ে বলেন এই সব ঢপের কার্ড তৈরী হচ্ছে এই কার্ডের। এই কার্ডে রাজ্যে মানুষ কনো সুবিধে পাবেনা। আগামী দিনে বিজেপি খমতায় এসে আয়ুস্মান ভারতে কার্ডে চিকিৎসার ফল পাবে।

শিল্প নিয়ে সিঙ্গুরে মানুষের সাথে বঞ্চনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সিঙ্গুরে এ্যগ্রোপার্ক নিয়ে কটাক্ষ করে আরো বলেন সারা বাংলা জুরে এ্যগ্রোপার্ক তৈরী করলেও আর খমতায় আসবে না। তৃণমূলের ভাঙন শুরু হেয়েছে, উইকেট পড়ছে। সরকার আগেই চলে গেছে, শুধুমাত্র সংবিধান মেনে চলছে এই দল। তৃণমূলের জোড়াফুলের পিসি ও ভাইপো রয়েছে দুইটি ফুল, আগামী দিনে আর কেউ থাকবে না। মঞ্চে থেকে নাম ধরে ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জী নাম করে দাঙাবাজ বলে কটাক্ষ করেছেন। ডায়মন্ড হাড়বার কে মিনি পাকিস্তান বানিয়ে দিয়েছেন। দলে তোলাবাজ, গুরু চোর, কয়লা চোর রয়েছে সিবিআই তদন্ত চলছে আগামী দিন সকলকে শাস্তি দেওয়া হবে। সিবিআই কালীঘাট থেকে টেনে বার করে আনবে।