এই মুহূর্তে খেলাধুলা

ফেডারেশনের চিঠিতে চাপে লাল-হলুদ।

স্পোর্টস ডেস্ক, ১৫ জুলাই:- শতবর্ষের ইস্টবেঙ্গলে সমস্যা যেন পিছু ছাড়ছে না। একদিকে ইস্টবেঙ্গলে যে টাকা ইনভেস্ট করতে চায় না, তা মঙ্গলবারই স্পষ্ট জানিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। ফলে লাল-হলুদের আইএসএল খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই অনিশ্চিত। তার উপরে ক্লাব লাইসেন্সিং পরীক্ষায় বসার জন্য, ২৩ জুলাই পর্যন্ত সময় দিয়ে ইস্টবেঙ্গল সহ আইলিগ, আইএসএলের সব ক্লাবকে চিঠি দিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। অথচ কোয়েস থেকে এখনও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট না আসায়, ফেডারেশনের এই চিঠিতে রীতিমতো চাপে পড়লেন লাল-হলুদ কর্তারা। তাই পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করতে শুক্রবার ক্লাব তাঁবুতে কার্যকরি কমিটির বৈঠক ডাকল ইস্টবেঙ্গল। ক্লাব লাইসেন্সিং পরীক্ষায় বসার জন্য নিয়ম হল, ফেডারেশনের পাঠানো ফর্ম পূরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা ফের ফেডারেশনে পাঠানো হয়। তারপরেই লাইসেন্সিং পরীক্ষায় বসার সুযোগ পায় ক্লাবগুলো।

অনেকটা পরীক্ষায় বসার আগে অ্যাডমিট কার্ড পাওয়ার আবেদন করার মতো। ভারতীয় ক্লাবগুলির লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কী কী শর্ত থাকবে, তার একটা খসড়া তৈরি করে এএফসির কাছে পাঠিয়েছিল ফেডারেশন। যাবতীয় আইনি দিক খতিয়ে দেখে ফেডারেশনের খসড়া ঠিকঠাক করে মঙ্গলবার বিকেলে ফেডারেশনের কাছে পাঠিয়ে দেয় এএফসি। আর রাতেই তা ক্লাবগুলোর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে এআইএফএফ। জানিয়ে দিয়েছে, দশ দিনের মধ্যে এই ফর্ম পূরণ করে ফেডারেশনের কাছে পাঠাতে হবে। তারপরেই লাইসেন্সিং পরীক্ষায় বসতে পারবে ক্লাবগুলো। যা চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অন্যান্য ক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে ফেডারেশনের এই চিঠি কোনও সমস্যার না হলেও রীতিমতো সমস্যার হয়ে দাঁড়াল ইস্টবেঙ্গলের কাছে। কারণ, কোয়েস থেকে এখনও নো অবজেকশন সার্টিফিকেটটাই তো পায়নি লাল-হলুদ। কোয়েস চেয়ারম্যান অজিত আইজ্যাক (Ajith Isaac) এনওসি দিতে রাজি। কিন্তু বিচ্ছেদের কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে যা ঠিক করতে বেশ কিছু সময় লেগে যাচ্ছে।