তরুণ মুখোপাধ্যায়,২২ এপ্রিল:- করোনার মতো মহামারী ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়াতে রিষড়ার দুটি ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল। এই মুহূর্তে করোনার আতঙ্কে সারা পৃথিবীর মানুষ আজ দিশেহারা। আমাদের দেশও ও রাজ্যও বাদ যায়নি এর থাবা থেকে। এই মুহূর্তে সব থেকে সংকটের মধ্য পড়েছেন দিন আনি দিন খাই পরিবারের মানুষরা। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংগঠনের ও ব্যক্তি দের পক্ষ থেকে দুস্থ গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়াবার অঙ্গীকারের লক্ষ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে মুক্ত হস্তে দান করছেন। টিভি তে খবরের কাগজে সেই খবর দেখে ব্যাথিত হয় রিষড়া বাঙ্গুর পার্কের বাসিন্দা দুই ছোট্ট স্কুল পড়ুয়া শ্রেয়া ও মিষ্ঠা পাঠকে। একদিন তারা তার বাবা মা কে বলে আমরাও এই সব মানুষ দের পাশে দাঁড়াতে চাই । সেইমতো তাদের টিফিনের জমানো ৪৭০০ টাকা তাদের বাবার হাতে দিয়ে বলে চলুন এই টাকা আমরা ত্রাণের কাজে দিয়ে আসি। মেয়েদের এই সিদ্ধান্তে অভিভূত হয়ে পড়েন ওদের বাবা মা। তারা মেয়েদের নিয়ে স্থানীয় রিষড়া থানার অফিসার ইনচার্জের হাতে কন্যাদের জমানো টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে তুলে দিল। আজ এই জাতীয় বিপর্যয়ের দিনে শ্রেয়া, মিষ্টার এই নীরব প্রচেষ্টা অনেককেই অনুপ্রাণিত করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
Related Articles
৫ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা মুখ্যমন্ত্রীর।
কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর:- উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বর ছড়িয়ে পড়ার কারণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন। এসএসকেএম হাসপাতালে আজ পাক্ষিক বৈঠকে তিনি স্বাস্থ্যসচিব সহ উপস্থিত স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চান বলে জানা গিয়েছে। ওই জ্বরের কারণ ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে এবং এ নিয়ে আতঙ্কের কোন কারণ […]
শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়ান দিবস মর্যাদার সঙ্গে পালিত হলো আরামবাগে।
মহেশ্বর চক্রবর্তী, ১১আগস্ট:- ক্ষুদিরাম বসু (৩ ডিসেম্বর ১৮৮৯ — ১১ আগস্ট ১৯০৮) ছিলেন একজন ভারতীয়-বাঙালি বিপ্লবী যিনি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরোধিতা করেছিলেন।এদিন তাঁর তিরোধান দিবস।সারা বাংলা জুড়ে মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে। আরামবাগ পৌরসভার প্রশাসক স্বপন নন্দীর উপস্থিততে আরামবাগ বসন্তপুরে শ্রদ্ধার সঙ্গে ভারতমাতার বীর সন্তান ক্ষুদিরাম বসুর তিরোধান দিবস পালিত হয়। উল্লেখ্য ক্ষুদিরাম বসু প্রফুল্ল চাকিকে […]
কলকাতায় এখন ৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে।
কলকাতা ,২০ মার্চ:- ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। রাজ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্বাচন করাটাই নির্বাচন কমিশনের এক এবং অন্যতম লক্ষ্য। তাই রাজ্যের সর্বত্র সেনা বাহিনীর রুট মার্চ শুরু হয়ে গেছে। কলকাতা পুলিশ এলাকায় রোজ সকাল ৯টা থেকে একটা এবং বিকেল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সেনা বাহিনীর রুট মার্চ চলছে। […]







