সুদীপ দাস,৯ এপ্রিল:- ভিডিও কলিং-এর মাধ্যমে পড়াশুনার পর করোনা পরিস্থিতিতে চালু হলো ভিডিও কলিং-এর মাধ্যমে চিকিৎসা। চিকিৎসার পরিভাষায় এই প্রযুক্তি ভিত্তিক এই পরিষেবার নাম টেলি-কনস্যাল্টেশন বা টেলি-মেডিসিন। লকডাউনের মত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থায় এহেন পরিষেবার জুড়ি মেলা ভার। হুগলি জেলায় সম্ভাব্য প্রথম এই পরিষেবাই চালু হলো চুঁচুড়ায়। চুঁচুড়া স্টেশন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে গুডডেজ্ ডায়গনস্টিক এন্ড ফার্মেসী চালু করলো টেলি-মেডিসিন ব্যাবস্থা। সংস্থার কর্নধার ডাঃ দেবরাজ ঘোষ বলেন একে তো করোনা আতঙ্ক, তারউপর চলছে লকডাউন। এই দু’য়ের জেরে বাড়িতে কারোর শারিরীক সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। কঠিন পরিস্থিতিতে রাস্তাঘাটে গাড়ি-ঘোড়া পাওয়া যেমন সমস্যা তেমনই করোনা আতঙ্কে অনেক জায়গাতেই চিকিৎসকদের চেম্বারও থাকছে বন্ধ। সেকথা চিন্তা করেই দেবরাজবাবু টেলি মেডিসিনের পরিষেবা চালু করলেন। এই পরিষেবা পেতে আপনার কাছে ইন্টারনেট সহ একটি স্মার্ট ফোন থাকলেই হবে।
সেই ফোন থেকে 9432424142-এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি hi বলে মেসেজ পাঠালেই ডাক্তারের অ্যাপয়েনমেন্ট পেতে আপনাকে কি করতে হবে তার বিস্তারিত আপনার হোয়াটসঅ্যাপে চলে আসবে। এছাড়া ওই নাম্বারে আপনি ফোনও করতে পারেন। ফোন করলে আপনার রুগীর নাম, বয়স, কি সমস্যা, আগে ডাক্তার দেখিয়েছেন কি না ইত্যাদি-ইত্যাদি জেনে নেওয়া হবে। কতক্ষন পর আপনি ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারবেন তাও আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। ঠিক সেই সময়ে আপনার মোবাইলের ডাটা অন করে রাখতে হবে। সময়মত আপনার মোবাইলে ভিডিও কল আসবে। আপনি সেই ভিডিও কলে ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারবেন পাশাপাশি দরকার হলে মোবাইল ঘুড়িয়ে রুগীকেও একঝলক দেখিয়ে দিতে পারবেন। কথা হয়ে গেলেই কল কেটে যাবে। কিছুক্ষনের মাধ্যেই গুডডেজ থেকে আপনার হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশনের পিডিএফ কপি চলে আসবে। আপনার নিকটবর্তী দোকান থেকে সেই ওষুধ সংগ্রহ করে নেবেন। আপনি চাইলে গুডডেজে এসে চিকিৎসকের ফিজ দেওয়ার পাশাপাশি প্রেসক্রিপশনের হার্ড কপি সংগ্রহ করতে পারেন। অথবা আপনার বাড়ি যদি দূরে বা জেলার বাইরে হয় তাহলে বাড়িতে থেকেই মোবাইল পে কিংবা গুডডেজের অ্যাকাউন্টে চিকিৎসকের ফিজ জমা দিতে পারেন। সমগ্র পরিষেবার জন্য চিকিৎসক ন্যার্য ফিজ ছাড়া আপনাকে একটাও অতিরিক্ত পয়সা খরচ করতে হবে না। গুডডেজের কর্নধার দেবরাজবাবু বলেন করোনা মোকাবিলায় লকডাউন পরিস্থিতিতে আমরা সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে এই পরিষেবা চালু করেছি। অন্যদিকে এই পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি জেলাবাসী।Related Articles
স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে একশ শতাংশ অর্থ খরচ বহন করছে রাজ্য সরকার।
কলকাতা , ২৬ ডিসেম্বর:- আয়ুষ্মান ভারত প্রকলপে কেন্দ্র সরকার ৬০ শতাংশ টাকা দিলেও রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে একশ শতাংশ অর্থ খরচ বহন করছে বলে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে। দলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন আজ এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উল্লেখ করে লেখেন আপনি কিছু লোককে বিনা খরচে চিকিৎসার সুযোগ করে দিলেও রাজ্য সরকার রাজ্যের দশ কোটি […]
দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদ ছড়িয়ে দিতে অভিনব উদ্যোগ স্কুল শিক্ষকের।
মহেশ্বর চক্রবর্তী, ১২ মার্চ:- দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদ ছড়িয়ে দিতে অভিনব উদ্যোগ নিলেন স্কুল শিক্ষক। গ্রামের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতেই নাকি পাকার দোতলাবাড়ীতে জাতীয় পতাকা এঁকে ফুটিয়ে তুললেন সৌন্দর্য্য।একতলাতে অন্য রং ব্যবহার হলেও দোতলায় দেখা যাচ্ছে সারি সারি ভারতের জাতীয় পতাকা আঁকা। এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে হুগলি জেলার গোঘাটে। বাড়ির সৌন্দর্যায়ন দেখে অবিভুত এলাকার মানুষ। […]
এমএ পাস হেমন্তের চাকরি না মেলায় বাধ্য হয়ে চালাতে হচ্ছে চায়ের দোকান।
পূর্ব বর্ধমান, ২১ এপ্রিল:- এম এ পাশ করেও কোনো কাজের সন্ধান না পেয়ে চায়ের দোকান খুলেতে বাধ্য হয়েছেন মন্তেশ্বরের দেনুর পঞ্চায়েতের পাতুন গ্রামের বছর আঠাশের যুবক হেমন্ত মল্লিক। মন্তেশ্বর- পুটশুড়ী রাস্তায় পাতুন পাঁচমাথা মোড়ে একটা ছোটোখাটো গুমটিতেই হেমন্তের চায়ের দোকান। সেখানেই ভোর পাঁচটা থেকে রাত্রি প্রায় নটা পর্যন্ত দোকান সামলাচ্ছেন। কাজে তাকে মাঝেমধ্যে সহযোগিতা করেন […]








