হুগলি,৩ ডিসেম্বর:- বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল হুগলীর আরামবাগে। আরামবাগ বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক পোস্ট পড়ল সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের সামনে, পাশাপাশি কার্যালয়ের সামনে বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।বিক্ষোভকারিদের অভিযোগ মন্ডল নির্বাচনে টাকা নিয়ে পদ দেওয়া হয়েছে অন্যদিকে আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন আমি নিজের কাজে কোলকাতা এসেছি সব শুনেছি, এই কর্মকান্ড যারা ঘটিয়েছে তারা দলের কেউ নয় তৃনমূল থেকে এসে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে। কিছু কর্মি বিজেপির বাকিরা সবাই তৃনমূল থেকে আসা কর্মি, তারা ভেবে ছিল তৃনমূল থেকে এসে পদ পেয়ে যাবো তা হয়নি, তাই আমার বিরুদ্ধে পোষ্টার মারছে।আমার বিরুদ্ধে আগে এরম অভিযোগ ছিল না। আমি দলকে সব জানিয়েছি।
Related Articles
এই সংকটময় অবস্থায় রক্তের অভাব মেটাতে রক্তদান শিবির ফুলিয়া কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে।
নদীয়া ২৪ এপ্রিল:- লকডাউনে সবকিছু থেমে থাকলেও, অসুস্থতা থেমে থাকে না। তা বাদে প্রচন্ড গ্রীষ্মের ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলি ধুঁকতে থাকে রক্তাল্পতায়। সেই কথা মাথায় রেখে এবার এগিয়ে এল নদীয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়া হসপিটালে রোগী কল্যাণ সমিতি। এদিন ওই সমিতির চেয়ারম্যান রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক শংকর সিং এর অনুপ্রেরণায় ফুলিয়া কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা […]
তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত চুঁচুড়ার শ্যামসুন্দরপুর।
হুগলি,৪ ফেব্রুয়ারি:- রাস্তায় নির্মীয়মান বাম্পার দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হুগলি- চুঁচুড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এর শ্যামসুন্দরপুর। অভিযোগ তৃণমূলীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে আহত বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়ে চুঁচুড়া হসপিটালে ভর্তি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। জানা যায় স্থানীয় মানুষের দেওয়া বাম্পার তৃণমলের বেশ কয়েকজন কর্মী ভাঙার চেষ্টা করছিল, সেইসময় বাধা দেয় […]
টোটো চালিয়ে বাড়ি বাড়ি সমস্যা সমাধানে বিধায়ক!
সুদীপ দাস, ১৮ জুন:- একদা রিক্সাচলাকই বর্তমান বিধায়ক। তাও আবার শাসক দল তৃণমূলের। সেই বিধায়কই এখন টোটো চালিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শুধু ঘুরে বেড়ানোই নয়, সাধারনের সমস্যা মেটাতে বদ্ধপরিকর হুগলীর বলাগরের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। মনোরঞ্জনবাবু আদিবাসী সাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান। তাই তিনিও একজন সাহিত্যিক। নিজে সাহিত্যিক হওয়ার এই পথটা কিন্তু কোনদিনই মসৃন ছিলো না মনোরঞ্জনবাবুর। […]






