হুগলি, ৪ জানুয়ারি:- নির্বাচন পর্যন্ত এক হয়ে চলার বার্তা। নির্বাচন মিটলে দুজনকেই লাঠি তুলে দেবেন বলে জানালেন শ্রীরামপুর সাংসদ। বিধায়ক অসিত সাংসদ রচনার হাত ধরিয়ে দ্বন্দ্ব মেটানোর বার্তাও দিলেন কর্মিদের সামনে। আজ চুঁচুড়ায় একটি হলে তৃনমূলের বিধানসভা কর্মি বৈঠক ছিলো। এসআইআর পর্বে কর্মিদের কি করনীয় তার ব্যাখ্যা ছিলো বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। তবে সে সব কে ছাপিয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অসিত মজুমদারের দ্বন্দ্ব মূল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। শ্রীরামপুর সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়েকটি বিধানসভা দেখার দায়িত্ব দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ চুঁচুড়া বিধানসভার সেই বৈঠকে দ্বন্দ্বই মিটিয়ে এক হয়ে চলার বিষয়ে অনেকটা সময় ব্যায় করেন কল্যাণ। অসিত মজুমদারকে ধমকের সুরে সাবধান করে দেন। অসিতের কান পাতলা। কেউ কিছু বললে সেটা শুনে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করে। রচনা ভালো মেয়ে। তার সঙ্গে কোনো সমস্যা থাকার কথা নয় বলেন, তবে অসিত বিধায়ক হিসাবে দারুন কাজ করেন। কিন্তু ওর মুখ খুব খারাপ।
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাওয়ার কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে তিনি দলে এসেছেন। সাংসদ হয়েছেন। তার একটা সম্মান আছে। সেটা রাখতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আজ ছয় মাস বাকি। এই সময় কোন দ্বন্দ্ব রাখা যাবে না। যা কিছু মনোমালিন্য আছে, সেটা মিটিয়ে ফেলতে হবে। ডাক দেন কল্যাণ। অসিত রচনার দ্বন্দ্ব যে আজ থেকে মিটলো সেটা বোঝাতে। দুজনের হাত ধরিয়ে দেন শ্রীরামপুর সাংসদ। বৈঠক শেষে রচনা বলেন, কল্যাণ দা আমাদের অভিভাবক। ইনি যেমনটা বলেছেন সেটাই হবে। কিন্তু দলের যারা কর্মী তাদের সম্মান দিতে হবে আগে। দলের কর্মসূচি হলে সেই কর্মসূচিতে তাদের ডাকতে হবে। অসিত দার সঙ্গে আমার কোন ঝামেলা নেই। উনি আমার থেকে রাজনীতিতে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কাজ করব। মজুমদার বলেন, যা কিছু ছিল সব মিটে গেছে। রচনা আমার নিজের বোনের মত। ওর ছবি নিয়ে আমার নাতনী বাড়িতে খেলা করে। কাল থেকে দেখবেন চুঁচুড়ায় অন্য ছবি।






