সুদীপ দাস , ৩ এপ্রিল:- হুগলী জেলায় নির্বাচনের আগে জেলায় উপস্থিত হলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় ভি নায়েক। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ হুগলি জেলাশাসক দপ্তরের নতুন ভবনে উপস্থিত হন দুই বিশেষ দুই পর্যবেক্ষক। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হুগলীর জেলাশাসক দীপাপ্রিয়া পি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার গৌরব শর্মা সহ সরকারী আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত আগামি ৬ তারিখ হুগলী জেলার ৮টি বিধানসভা কেন্দ্র এবং ১০ তারিখ জেলার ১০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে যা যা ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত সেবিষয়ে নজর দিতেই ভোটের মুখে জেলায় জেলায় গিয়ে বৈঠক করছেন নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন আধিকারিকরা। শনিবার প্রথমে দুই পর্যবেক্ষক রাজনৈতিক দলগুলির সাথে এককভাবে বৈঠক করেন। এক এক করে দলের প্রতিনিধিদের ডেকে তাঁদের অভাব অভিযোগ শোনেন। এরপর জেলায় নিযুক্ত নির্বাচনী আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন দুই বিশেষ পর্যবেক্ষক।
Related Articles
বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে বাড়ি ফিরলেন ১১ জন পরিযায়ী শ্রমিক।
পূর্ব বর্ধমান, ৪ জুন:- এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে উড়িষ্যার দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রেনের কবলে পড়েছেন মন্তেশ্বর এলাকার প্রায় ২৫ থেকে ২৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক ও মানুষজন। মন্তেশ্বর এলাকার উড়িষ্যার বালেশ্বরে দুর্ঘটনগ্রস্ত ট্রেন থেকে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে বাড়ি ফিরলেন শনিবার রাত বারোটা পর্যন্ত মন্তেশ্বর গ্রামের ৭জন ও ভারূচার ১জন মন্তেশ্বর এলাকার দেওয়ানিয়ার পান্না হাজরা সহ ৩জন […]
চেঙ্গাইলে রক্ষা লোকাল ট্রেনের।
হাওড়া, ১৭ ডিসেম্বর:- হাওড়ায় দক্ষিণ-পূর্ব রেল শাখায় ফুলেশ্বর-চেঙ্গাইলের মাঝে ডাউন লাইনে রেললাইনে বাঁক। বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা লোকাল ট্রেনের। সূত্র মারফত জানা গেছে, শনিবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ফুলেশ্বর চেঙ্গালের ডাউন লাইনে রেল কর্মীরা লাইনের কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাতেই চেঙ্গাইলের অদূরে ডাউন লাইনের একটি অংশে হঠাৎ বাঁক দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে ধোঁয়া দেখতে পান এলাকার […]
মমতার হাত ধরেই বাংলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। দাবি অরূপের।
হাওড়া, ২৭ নভেম্বর:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই বাংলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। রবিবার সকালে হাওড়ায় এক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিষেবা শিবিরের উদ্বোধনে এসে এই দাবি করেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি বলেন, “আমরা যখন কলকাতার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আগে যেতাম যেমন এসএসকেএম, এনআরএস, আরজিকর, মেডিকেল কলেজ প্রমুখ, তখন হাসপাতালগুলোর যে হাল ছিল […]









