হুগলি , ২৮ জুন:- রবিবার হুগলির চন্ডীতলার ভগবতীপুর বিজেপির পক্ষ থেকে আম ফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিলি করা হয । আসেন বিজেপির বিশিষ্ট নেতা দিলীপ সিং। এলাকার যে সমস্ত মানুষের বাড়ি ভেঙে গেছে তাদের হাতে বেশ কিছু ত্রিপল তুলে দেন দিলীপ সিং। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান আমাদের রাজ্য সরকার নিজেদের ইগোর জন্য সাধারণ মানুষ বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আয়ুষ্মান ভারত আবাস যোজনা প্রভৃতি যে জনকল্যাণমুখী কেন্দ্রীয় প্রকল্প গুলো আছে তা রাজ্যের লাগু করতে দেয়া হচ্ছে না এ ব্যাপারে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেন আপনাদেরএর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। কেন সাধারণ মানুষ এই সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হবে । শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের এক গুয়ামীর জন্য।
Related Articles
জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র এবার থেকে মিলবে অনলাইনেই।
কলকাতা, ২৮ ফেব্রুয়ারি:- রাজ্যে এবার জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র মিলবে অনলাইনে। এই উদ্দেশ্যে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর একটি পৃথক পোর্টাল তৈরি করতে চলেছে। সেখানে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন জানানোর ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি শংসাপত্রের ভুল সংশোধন বা তথ্য গত পরিবর্তনের জন্য অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন জানানো যাবে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে প্রস্তাবিত ওই পোর্টাল […]
উত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠের প্রাথমিক বিভাগে কর্মরতা দুই শিক্ষিকা এবার বরখাস্তের তালিকায়।
হুগলি, ১৭ জুন:- উত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠের প্রাথমিক বিভাগে কর্মরতা দুই শিক্ষিকা এবার বরখাস্তের তালিকায়। সূত্রের খবর বরখাস্ত ওই দুই শিক্ষিকা হলেন চন্দ্রিমা দেব ও সুমনা নিয়োগী। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ওই দুই শিক্ষিকাকে ২০১৭ সালে নিয়োগ করা হয়। সম্প্রতি অবৈধ নিয়োগ এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রাজ্যের ২৬৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেয়। সেই বরখাস্তের তালিকায় উত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠের […]
মাহেশ পর্যটন কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হতে চলেছে।
হুগলি, ৯ নভেম্বর:- ৬২৮ বছরের প্রাচীন মাহেশের জগন্নাথ দেবের মন্দিরকে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্রের দ্বিতীয় দফার কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। ২০১৯ সালে রথযাত্রার দিন মাহেশে এসে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের জীর্ণ অবস্থা দেখে খুবই ব্যথিত হন, এবং তিনি সেই রথযাত্রার মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন শ্রীরামপুরের মাহেশ গ্রামকে পর্যটন মানচিত্রে তুলে আনা […]









