এই মুহূর্তে কলকাতা

কুণালকে শোকজ দলের, সন্ধ্যায় কি সুদিপের বাড়িতে চায়ের নিমন্ত্রনে?


কলকাতা, ৪ মার্চ:- শোকজ প্রসঙ্গে কুনাল ঘোষ বলেন দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে কিছু বলছি না। যাঁরা দিয়েছেন তাঁরাই বলতে পারবেন। আমি তৃণমূলের কর্মী। ছিলাম আছি থাকব। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দল তৃণমূল কংগ্রেস। দল করি ইমোশনাল ইনভলভমেন্ট থেকে। দলকে ভালোবাসি। ছাড়ার কোনও বিষয় নেই। হোয়াটসঅ্যাপ খোলা থাকলে অনেক কিছু আসে। যারা দিয়েছেন তারা বলবেন। আমি কিছু বলতে পারব না। আমি পড়িনি ওটা। প্রেমপত্র গানটা শুনছিলাম। এসব নিয়ে মাথা ঘামাই না। তাপস দার বাড়ি গেছিলাম। মাঝে খিদে পেল। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ এ অনেক কিছু এসেছে। দেখা হয়নি। নানা দরকার ছিল। আমার কাজ ছিল। কিন্তু তার মাঝে পড়িনি ওটা দলের একজন কর্মী। সমর্থক।এত বড় তৃণমূলের পরিবার। ঐতিহাসিক ব্রিগেড করতে চলেছে। কর্মী হিসাবে ভাল আছি। তাপসদার কাছে অনুরোধ। দাদা ভাই সম্পর্ক। আমার সিনিয়র। যদি কোনও কারণে ইস্তফা দিয়ে থাকেন।

যদি কোনও যন্ত্রণা দিয়ে থাকে কেউ, বলব একটু বিশ্রামে থাকুন। অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন না। আমরা চেষ্টা করেছি। পুনর্বিবেচনা করুন। ব্রাত্য গেছিল। ও বলেছে। আমি বলব ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু যদি সম্ভব হয় প্রতিপক্ষ কোনও দলে যোগ দেবেন না। যতই গণতান্ত্রিক দল হোক। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা যা হোক অন্য সিদ্ধান্ত নেবেন না। কর্মী হিসাবে গেছিলাম। দেখলাম ব্রাত্য বসু গেছেন। আমাদের দাদা ভাই সম্পর্ক। আমার পাড়া দিয়ে গেলে খোঁজ নেয়। আমি যাই। চলে গেলে কষ্ট হবে। উনি সিনিয়র। একটু যদি কিছু না করে বিশ্রাম নেন, রিজার্ভ বেঁচে থাকেন। যদিও তাপস দা একটা বড় নাম। রাজনৈতিক নেতা। অনুরোধ করব কিছু না করতে তাপস গেলে দলে অসুবিধা — দল তৃণমূল। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের ছবি দেখে দল নেমে পড়ে লড়াইয়ে সুদীপ দা আমায় ফোন করেছিলেন। সন্ধায় চায়ের নিমন্ত্রণ করেছেন। আমি যাব। সুব্রত বক্সি দাকে আমি খুব পছন্দ করি। আমায় উনিও খুব স্নেহ করেন। আমাদের ভাল সম্পর্ক।