এই মুহূর্তে জেলা

চুঁচুড়ায় পুকুর ভরাটের অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে বিধায়ক।


হুগলি, ১৬ মে:- সকাল সকাল পুকুর ভরাটের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল সরোজমিনে পরিদর্শন করতে গেলেন বিধায়ক অসিত মজুমদার, ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর অর্পিতা সাহা। সেখানে গিয়ে দেখা গেল একটি পুকুরের উপরে তৈরি হয়ে গেছে পাকা বাড়ি, আবার একটি টিনের ঘর রয়েছে। যেখানে রয়েছে বিদ্যুতের লাইন এবং পানীয় জলের ব্যবস্থাও। কাউন্সিলর এর সাফাই তিনি নাকি কিছুই জানেন না। তবে কি করে হলো? কাগজ দেখে জানা গেল পুরোটাই তৃণমূল নেতাদের যোগ সাজোই হয়েছে। ভরাটে বাধা দিতে গিয়ে স্থানীয় একজনকে হুমকির অভিযোগ চুঁচুড়ার তৃণমূল নেতা বিজয় কাহারের বিরুদ্ধে।

এলাকায় গিয়ে একজনকে হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। আবার কোনও তৃণমূল নেতা অবৈধভাবে ওই বাড়িতে জলের লাইন ও বিদ্যুতের লাইন পাইয়ে দিয়েছেন। এদিনও সে পুকুর ভরাট করতে এসেছিলেন দুই কর্মী। তারা বিধায়কের রোসের মুখে পড়েন। তড়িঘড়ি বিধায়ক অতিরিক্ত জেলাশাসক সাধারণ নকুল চন্দ্র মাহাতো ও চুঁচুড়া থানার আধিকারিক কে ফোন বিষয়টি দেখতে বলেন। এরপরেই ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে দুই কর্মীসহ ওই জমির মালিক শংকর গুপ্তকে আটক করে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজয়। চুঁচুড়া ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছাতাগলির এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন বিরোধীরা। এ দিকে চুঁচুড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি সঞ্জীব মিত্র বলেন ওই ঘটনায় দলের কেউ যুক্ত থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।