এই মুহূর্তে কলকাতা

হাতেখড়ির অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আগামীকাল বাংলা শিক্ষা শুরু করবেন রাজ্যপাল।


কলকাতা, ২৫ জানুয়ারি:- সরস্বতী পুজোর বিকেলে এক অভিনব হাতে খড়ি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বাংলা শিক্ষা শুরু করবেন। এই উপলক্ষে আগামীকাল বিকেলে রাজভবনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সহ রাজ্য মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেধা ও কৃতিত্বের পরিচয় দেওয়া কয়েকজন পড়ুয়াকেও ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবাঞ্জলি রায় নামে আট বছরের এক বালিকার কাছ থেকে রাজ্যপাল হাতে খড়ি নেবেন। গুরুদক্ষিণা হিসেবে রাজ্যপাল তার বেতনের একাংশ কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার হিসেবে দেবেন। প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় ও চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে ওইসব পড়ুয়াদের যথাক্রমে ১ লক্ষ, ৭৫ হাজার, ৫০ হাজার ও ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

রাজ্যপাল সপ্তাহের কাজের দিনগুলোতে এক ঘন্টা করে বাংলা শেখার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এদিকে রাজ্য পাল সিভি আনন্দ বোসের এই হাতে খড়ি কর্মসূচি নিয়ে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে।বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, এই রাজ্যপাল নবান্নের জেরক্স মেশিন। রাজভবনকে উনি তৃণমূলের পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলেছেন। সরস্বতী পুজোয় হাতেখড়ি অনুষ্ঠান রাজনৈতিক চমক বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। রাজ্যপালকে নিয়ে বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্তের বিরোধিতা করে জেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজভবনের দিকে চেয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।বাকিদেরও তাই করা উচিত। সেটাই রাজনীতি পক্ষে ভালো। এর পাল্টা হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র কুণাল ঘোষ বলেন, বিজেপি বাংলা বিরোধী তাই রাজ্যপালের বাংলা ভাষা শিক্ষারও বিরোধিতা করছে। সরস্বতী পুজোর সঙ্গে বাংলার ভাষা ও আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই।