এই মুহূর্তে জেলা

জেলা জুড়ে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২০ তম জন্মদিন পালন।

হুগলি, ৬ জুলাই:- হুগলি জেলা জুড়ে ভারত কেশরী ডঃ শামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২০ তম জন্মদিন পালন করলেন বিজেপি কর্মী সমর্থক ও নেতৃত্ব। এদিন বিজেপির প্রতিটি জেলা সাংগঠনিক কার্যালয় ও বুথস্তরে শ্রদ্ধার সাথে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালিত হয়। একজন ভারতীয় পন্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা হিসাবে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২০ তম জন্মদিবস সাড়ম্বরে পালিত হয় হুগলি জেলায়।প্রতি বছরের মত এবছরও ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে হুগলি জেলায় মাল্যদান সহ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারনা করা হয়।মুল অনুষ্ঠান হয় বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা থেকে শুরু করে চুঁচুড়া ও আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার কার্যালয়ে।

১৯০১ সালের ৬ ই জুলাই কলকাতায় এক উচ্চ সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা স্যার আশুতোষ মুখার্জী ও মাতা শ্রীমতী যোগমায়া দেবীর কাছ থেকে তিনি ঐকান্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনা উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন৷ উল্লেখ্য ১৯৮০ সালে তার আদর্শের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন জহরলাল নেহেরুর মন্ত্রীসভার অন্যতম বরিষ্ঠ মন্ত্রী। কিন্তু দিল্লি প্যাক্ট প্রসঙ্গে বিরোধের জেরে কংগ্রেসের মন্ত্রীসভা ত্যাগ করেছিলেন তিনি। ৩৭০ ধারা বাতিল করার পক্ষেও বারবার রায় দান করেছেন শ্যামাপ্রসাদ।

তার মতে এক প্রজাতন্ত্রে আরেকটি প্রজাতন্ত্র থাকতে পারে না। তার আদর্শ নিয়েই বর্তমানে এগিয়ে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এর আগে তার প্রয়াণ দিবসেও সারা দেশ জুড়ে বলিদান দিবস পালিত হয়। সারা দেশ জুড়ে তাঁর জন্মদিন পালিত হয়।এই বিষয়ে হুগলির পুড়শুড়া বিধান সভার বিধাক বিমান ঘোষ বলেন, আমরা শ্রদ্ধার সাথে ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করলাম। তাঁর আদর্শকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে চলেছি। সারা দেশের মানুষ মর্যাদার সাথে এই দিনটি পালন করছেন। অন্যদিকে শ্রীরামপুর বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শ্যামল বোস বলেন, আমাদের সাংগঠনিক জেলার প্রতিটি বুথে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালিত হয়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রক্ত হয়নি ব্যর্থ। তাঁর যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়িত করেছেন নরেন্দ্র মোদিজীর সরকার। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ও ৩৫ এ ধারা লুপ্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে এদিন সারা জেলা জুড়ে ভারত মাতার এই বীর সন্তানের জন্মদিন মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সাথে পালিত হয় বলা যায়।