হাওড়া , ১৯ মে:- গত ১৬ মে থেকে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যে। গণপরিবহন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। আজ বুধবার লকডাউনের চতুর্থ দিনে সকাল থেকেই লকডাউন সফল করতে পথে নেমেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। সালকিয়া চৌরাস্তা সহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের নাকা চেকিং চলছে। এদিন সকালে যেসব প্রাইভেট গাড়ি, মালবাহী যান, অটো, বাইক বা অন্যান্য গাড়ি পথে বেরিয়েছে সেগুলি চেকিং চলছে। উপযুক্ত কারণ না দেখাতে পারলেই সেই গাড়ি আটকানো হচ্ছে। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে হাওড়া সিটি পুলিশের তরফ থেকে। লকডাউন থাকা সত্ত্বেও বাইক এবং প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে যারা এদিন সালকিয়ার রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তাদের গাড়ি আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মালিপাঁচঘড়া থানা ট্রাফিক পুলিশ।
Related Articles
বৈদ্যবাটিতে হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়লো পুরানো বাড়ি।
হুগলি, ১৯ মার্চ:- বৈদ্যবাটিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি পুরোনো বাড়ি। আহত বাড়ি ভাঙার কাজে নিযু্ক্ত দুই শ্রমিক। গার্ডেনরিচে বহুতল ভেঙে পড়ার আতঙ্কের মধ্যেই বৈদ্যবাটির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। বৈদ্যবাটি চৌমাথায় জিটি রোডের ওপর একটি পুরোনো বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল কয়েকদিন ধরে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে আজ দুপুরে সেই বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল। হঠাৎই জিটি রোডের ওপর […]
রিষড়া পৌরসভার উদ্যোগে মৈত্রীপথের উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শুরু হলো করোনার সোয়াব টেস্ট।
তরুণ মুখোপাধ্যায়,১০ মে:– এলাকার মানুষদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিল রিষড়া পুরসভা। এদিন এলাকার মৈত্রী পথে পুরসভার উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করোনার সোয়াব টেস্ট শুরু হল। আজ প্রথম দিনে রিষড়া পুরসভার যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন তাদের লালা রস পরীক্ষার জন্য নেয়া হলো। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আধিকারিক জানালেন আগামীকাল […]
৭ মাসের যমজ শিশু কন্যার দুধের প্রয়োজন মেটালেন গুপ্তিপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ।
হুগলি,১৩ এপ্রিল:- হুগলি জেলার বলাগড়ের চরকৃষ্ণবাটি ছোলারডাঙায় ৭ মাসের যমজ শিশু কন্যার দুধের প্রয়োজন।খবর পেয়ে গুপ্তিপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ দুধের শিশুদের জন্য দুধ যোগালেন।শুধুমাত্র দুধ না,বেবি ফুড,শিশুর পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র তুলে দিলেন। ৭ মাস আগে যখন তমালিকা অয়ন্তিকা জন্মায় তখন তো করোনা ছিলোনা। এখন করোনা মহামারীর আকার নিয়েছে। শিশুর বাবা কমল বিশ্বাস দীন […]




