কলকাতা , ২৪ এপ্রিল:- করোনায় সংক্রমিত মৃত ব্যক্তিকে ধর্মীয় রীতি মেনে মসৃণভাবে সৎকারের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি তথ্যপঞ্জি তৈরীর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পুর এবং নগর উন্নয়ন দপ্তর থেকে প্রকাশিত ওই নির্দেশিকায় এই ধরনের মৃত্যুর তিন ঘন্টার মধ্যে সব ধরনের কভিড সতর্কতা মেনে শেষকৃত্য নিশ্চিত করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। সৎকারের পরেই তার মৃত্যুর শংসাপত্র পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে। মৃতদেহ সৎকারের সময় প্রতিটি পুরসভার একজন করে নোডাল আধিকারিক কে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। মৃতদেহ সৎকারের আগে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে মৃতের পরিবারের সর্বাধিক পাঁচজন সদস্য সব ধরনের সর্তকতা বিধি মেনে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Related Articles
নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজের অনুষ্ঠানে বাদ বিধায়ক , শুরু রাজনৈতিক তরজা।
হুগলি , ২৬ জানুয়ারি:- হুগলি জেলার কোন্নগরের নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজের নব নির্মিত ভবনের উদ্বোধন হলো। আর সেই অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন না স্থানীয় বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। আমন্ত্রণ পত্রে তার নাম টাই নেই। এদিন কলেজের ভবনের উদ্বোধন করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জী। সাংসদ অবশ্য বিধায়কের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে বলেন কলেজ কাকে বলবেন আর কাকে বলবেন না সেটা […]
মুখের ছবি দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা নবান্নে।
কলকাতা, ২৬ এপ্রিল:- রাজ্যে প্রথম নবান্নে চালু হতে চলেছে মুখের ছবি দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা। নতুন এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে ‘ফেস রেকগনিশন বায়োমেট্রিক মেশিন’। এই পদ্ধতি ২মে থেকে নবান্নের সব দপ্তরে চালু হওয়ার কথা।, বুধবার কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালু হয়। মঙ্গলবার, নবান্নে প্রতিটি তলায়, সব দপ্তরের মূল ফটকের সামনে এই মেশিন […]
নিজের দপ্তর পরিদর্শনে কর্মীদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর।
কলকাতা, ১৫ মার্চ:- নিজের অধীনে থাকা স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র দফতরে পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর বারোটা বেজে দশ মিনিট। আচমকা নবান্নের পাঁচতলায় নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘুরে দেখেন স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য দফতর। কথা বলেন কর্মীদের সঙ্গে। তবে অধিকাংশ চেয়ার ফাঁকা দেখে কর্মীদের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আচমকা মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই […]








