এই মুহূর্তে জেলা

জগাছা ডাকাতি-কান্ডে অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।


হাওড়া , ১৮ অক্টোবর:- জগাছা থানা এলাকায় বেসরকারি অর্থলগ্নিকারী সংস্থায় ডাকাতি কান্ডে অভিযুক্তরা এখনও অধরা। তাঁদের খোঁজে হাওড়া সিটি পুলিশ এবং বর্ধমান পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। অভিযুক্তরা খুব তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে বলে পুলিশ মনে করছে। পুলিশের দাবি তদন্তে নেমে বেশ কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে। এর পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র এবং সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দোষীদের ধরার চেষ্টা চলছে। পুলিশের দাবি, ডাকাতি হওয়া সোনা উদ্ধার করা গেছে। দুষ্কৃতিরা অন্য রাজ্যের হতে পারে বলেও মনে করছে পুলিশ। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ডাকাতির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান তাঁরা। সেখান থেকে প্রায় ৫ মিনিটের মধ্যেই জগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নেতৃত্বে হাওড়া সিটি পুলিশের একটি দল অভিযুক্তদের তাড়া করে। তখন অভিযুক্তরা প্রায় ৩৫ কিমি দূরে।

বিভিন্ন সোর্স এবং সিসি ক্যামেরার সূত্র জানতে পারেন ডাকাতির পর একটি গাড়ি দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে কোনা এক্সপ্রেসওয়ের দিকে গিয়েছে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল থানাকে সজাগ করে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি দুষ্কৃতিদের গাড়ি তাড়া করে হাওড়া সিটি পুলিশের একটি দল। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় নবাবহাট মোড়ের কাছে দুষ্কৃতিরা তাদের গাড়ি এবং ডাকাতি করা সোনা ফেলে পালায়। পুলিশ মনে করছে ধান ক্ষেত দিয়ে পালিয়ে গিয়েছে ডাকাতরা। তাঁদের খোঁজে জর তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বিগত বছরে বর্ধমান থেকেও প্রায় ১৪ কেজি সোনা চুরির ঘটনা ঘটেছিল। শুধু তাই নয় বরানগরে চুরি গিয়েছিল প্রায় ৩০ কেজি সোনা।

কোন ক্ষেত্রেই সেই চুরি হওয়া সোনা উদ্ধার করা যায়নি। এইটাই প্রথম ঘটনা যেখানে সোনা উদ্ধার করা সম্ভব হল বলে পুলিশের দাবি। উল্লেখ্য শনিবার দুপুরে হাওড়ার রামরাজাতলা স্টেশন রোড এলাকার এক অর্থলগ্নি সংস্থায় এক দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়। চার জনের একটি দল সেই সংস্থায় ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে। সেখানে উপস্থিত গ্রাহক ও কর্মীদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লকার রুমে আটকে রেখে ভল্ট ভেঙ্গে প্রায় ২৬ কেজির মতো সোনা এবং কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে পালায় বলে দাবি সংস্থার। ডাকাত দল চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সংস্থার পক্ষ থেকে থানায় জানানো হয়েছিল। এরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে।