কলকাতা , ৩০ সেপ্টেম্বর:- অবসর নিলেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। এক বছর রাজ্যের মুখ্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালনের পর বুধবার উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই উত্তরসূরিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে নবান্ন থেকে বিদায় নিলেন তিনি্ ।তবে অবসর নিলেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছেনা রাজীবের। বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যের শিল্পন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান পদে যোগ দিচ্ছেন তিনি। তার আগে এদিন নতুন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে তুলে দিলেন রাজ্যে প্রশাসনের ব্যাটন। একই সঙ্গে এদিন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং নতুন অর্থ সচিব মনোজ পন্থ। মুখ্য সচিব হিসাবে সম্ভবত রাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম এক সঙ্কটময় পরিস্থিতি সামনে থেকে মোকাবিলা করতে হয়েছে রাজীব সিনহাকে। তবে করোনা ও আম্ফান এই জোড়া বিপর্যয়-কে তিনি যেভাবে সামাল দিয়েছেন তার প্রশংসা করেছে প্রশাসনিক মহল। রাজ্য সরকারের দেওয়া সম্বর্ধনা পত্রেও সেকথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁকে নতুন পদে য়োগ দেওয়ার আগে শুভেচ্ছা ও অভিন্ন্দন জানিয়েছেন।
Related Articles
ডাউন দুন- এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কামরায় বহিরাগতদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ।
হাওড়া, ২৫ জুন:- ডাউন দুন এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কামরায় এবার বহিরাগতদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠলো। সোমবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ওই ঘটনা ঘটে বিহারের খুরদা স্টেশনে। হাওড়াগামী ডাউন দুন এক্সপ্রেসে বহিরাগত কিছু যুবক ওই হামলা চালায় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সংরক্ষিত কামরায় ওঠা এক বহিরাগত যাত্রীকে সিটে বসতে বারণ করায় তিনিই ‘বৈধ’ যাত্রীদের দেখে নেওয়ার হুমকি […]
তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, ব্যান্ডেলে বন্ধ দোকান ভেঙে দখল নেওয়ার চেষ্টা।
হুগলি, ৫ ডিসেম্বর:- ব্যান্ডেলে তৃনমূল নেতার দাদাগিরি, বন্ধ দোকান ভেঙে দখল নেওয়ার চেষ্টা, ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায় ব্যান্ডেল চার নম্বর ওয়ার্ড গোপীনাথপুর এর বাসিন্দা তাপস কর্মকার, ব্যান্ডেল মোড় সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে তার একটি ইলেকট্রিকের দোকান ছিল, পুঁজির অভাবে দীর্ঘদিন ধরেই সেই দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছিল তাপসবাবুকে। তিনি জানান হঠাৎই একদিন আগে দেখেন […]
রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা নিয়ে অনিশ্চিত কমিশন।
কলকাতা, ২৮ মার্চ:- রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা নিয়ে অনিশ্চিত নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার তিনটি আসনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে প্রায় ৩৫০ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। কমিশনের হিসাব বলছে, একটি বিধানসভা ক্ষেত্রের সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হলে কমপক্ষে ১৬ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। ফলে একটি লোকসভা ক্ষেত্রের জন্য […]









