সুদীপ দাস,১৮ জানুয়ারি:- আমাদের সময় কিংবা চুনী দা (চুনী গোস্বামী) , প্রদীপ দা ( পিকে ব্যানার্জী) সময়ও বাংলা ছাড়া ভারতীয় দলই হোত না। এখন দেশে বাংলার ছেলেদের বড়ই অভাব ! এটাকে কি আর এ রজ্যের ফুটবলের উন্নতি বলা যেতে পারে ? আই লিগ ডার্বির ২৪ ঘন্টা আগে এভাবেই আক্ষেপ প্রকাশ করলেন ভারতীয় দলের সর্বকালের সেরা স্টপার সুধীর কর্মকার। ৭০ এর দশকে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ময়দান কাঁপানো সুধীর বাবু আজ রিষড়ার বাড়িতে বসে খবর সোজাসাপ্টার মুখোমুখি হন। এদিন অর্নব বিশ্বাসের সামনে বাংলার বর্তমান ফুটবল নিয়ে নিরাশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন আজ থেকে ৫০বছর আগে ভারতীয় টিমে বাংলা থেকেই আট থেকে দশজন খেলতেন। এখন সেসব ইতিহাস।
সিকিম, ভূটানের ছেলেরা আজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল আজ কোয়েস ইস্টবেঙ্গল ! মোহনবাগান আজ এটিকে মোহনবাগান! এটা বাংলার ফুটবলের পক্ষে ভালো নয়। বাংলার মানুষদের একটা আলাদা আবেগ, একটা আলাদা অনুভূতি ছিলো । সেটা আজ ভারতীয় ফুটবলে নেই। আগামীকাল আই লিগে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ডার্বির আগে দেশের সর্বকালের সেরা স্টপারের এই মন্তব্য যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করারই কথা ফুটবল সচেতন মানুষদের কাছে !রবিবার ডার্বি প্রসঙ্গে তিনি বলেন হারলে লড়াই করে হারুক। আমি দুটো দলেই খেলেছি তাই দুই দলেরই সাফল্য কামনা করি।Related Articles
রাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মী ঘাটতি মেটাতে ৬৪২ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ ও পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কলকাতা , ৯ সেপ্টেম্বর:- করোনা আবহে রাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মী ঘাটতি মেটাতে রাজ্য সরকার নতুন করে মোট ৬৪২ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ ও পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নবান্নে আজ মুখ্যমন্ত্রীর পৌরহিত্যে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নতুন পথ গুলির মধ্যে ৭৫টি সরকারি […]
স্বর্গীয় কাজল সিনহাকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে ভ্রাম্যমান অন্নদান প্রকল্প শুরু তার সহধর্মিণীর হাত দিয়েই।
খড়দহ , ২ জুন:- একদিকে করোনা মহামারী ও লকডাউন অপরদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের শেষ নেই এমতো অবস্থায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কথা মাথায় রেখে চিরাচরিতভাবে খড়দহ সাংস্কৃতিক মঞ্চের পরিচালনায় ও তার সহধর্মিণী বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা নন্দিতার উদ্যোগে শুরু হলো অন্নদান প্রকল্প। এই কর্মকান্ডের কারণে উদ্যোগকে সাধুবাদ আপামোর জানাই সুধিবৃন্দ যশের প্রবল ঝড় বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া দরিদ্র […]
অদৃশ্যরূপীর দায়ে শরৎচন্দ্রের বহুরূপীরাও ভিক্ষাহীন।
হুগলি,২৯ এপ্রিল:- মুখে বিভিন্ন রঙ মেখে কেউ সাজেন কালী, কেউ সাজেন শিব ,পার্বতী অথবা কেউ সাজে বাবা লোকনাথ। রুটি রুজির টানে সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত ভিক্ষা করে দিন গুজরান। তারকেশ্বরের জ্যোৎশম্ভু গ্রামে বসবাস করে এরা। তবে গ্রামের চলতি নাম বহুরুপী গ্রাম নামে পরিচিত। বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বর রোডে তারকেশ্বর রেল গেটের পাশে এদের বাসবাস। বাপ ঠাকুরদার পেশাকে টিকিয়ে […]








