হুগলি,২০ ডিসেম্বর:- জেলার সাফাই কর্মীরা ঠিক কেমন আছেন তা সরেজমিনে দেখতে আজ জেলায় আসেন ন্যাশনাল কমিশন অফ সাফাই কর্মচারির চেয়ারম্যান মনোহর ভালজিভাই জালা। এদিন মূলত পৌরসভার সাফাই কর্মীরা রাজ্য শ্রম আইন অনুযায়ী ন্যুনতম বেতন সহ আবাস, জল, আলো কিংবা পিএফ, গ্রাচুইটি পাচ্ছেন কিনা তা খতিয়ে দেখেন। এবিষয়ে তিনি চুঁচুড়ায় নতুন জেলাশাসক দপ্তরে একটি বৈঠক করেন। এদিনের গোলটেবিল বৈঠকে ন্যাশনাল কমিশন অফ সাফাই কর্মচারীর চেয়ারম্যান সহ চারজনের প্রতিনিধি দল হুগলির জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও এবং জেলার পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রমিকদের বেশকিছু বিষয়ে আরও সুবিধা পাওয়ার ব্যাপার আছে বলে মন্তব্য করেন মনোহর জালা। তিনি বলেন এরাজ্যে দৈনিক ন্যুনতম বেতনের হার ৩১৫টাকা। সেই মজুরি অনেকেই পাচ্ছেন না। পাশাপাশি সাফাই কর্মীদের থাকার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন শুধু পৌর স্তরের সাফাই কর্মীরাই নয়, পঞ্চায়েত, হাসপাতাল, সরকারি-বেসরকারী যেকোন ক্ষেত্রের যেকোন কর্মীরাই ন্যুনতম শ্রম আইন অনুযায়ী সুবিধা পাওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে কেউ বঞ্চিত হলে অভিযোগের আর্জি জানানোর পাশাপাশি তিনি সংবাদমাধ্যমকেও তাঁদের কথা তুলে ধরার আবেদন জানান। যদিও এদিন জেলাশাসকের কাছ থেকে সবরকম সমস্যা সমাধানের অশ্বাস পেয়ে খুশি প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় সাফাই কর্মচারী কমিশনের চেয়ারম্যান মনোহর জালা।Related Articles
হাওড়ায় বি গার্ডেনে রাজ্যপাল।
হাওড়া,৩ ডিসেম্বর:- মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে এসে বেশ কিছুটা সময় সেখানে কাটিয়ে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এদিন তিনি গার্ডেনের আধিকারিক সহ প্রাতঃভ্রমণকারী, সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। বিভিন্ন বিষয়ের খোঁজখবর নেন। সমস্যার কথা শোনেন। এদিন সস্ত্রীক রাজ্যপাল সকাল ৬-৫১ মিনিট নাগাদ বোটানিক্যাল গার্ডেনে এসে পৌঁছান। তিনি গাড়ি থেকে নামেন গার্ডেনের প্রধান ফটকের সামনে। […]
অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচিতে আগামীকাল যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।
কলকাতা, ৩ মে:- মুখ্যমন্ত্রী ট্রেন চড়ে যাত্রা করবেন আর ভিড় হবে না এটা কি হয় নাকি! শেষ কবে মুখ্যমন্ত্রী ট্রেন চড়ে যাত্রা করেছেন সেটা অনেকেরই মনে নেই। আজ অর্থাৎ বুধবার তাকে বহুদিন পর দেখা গেল হাওড়া রেল স্টেশনে, ট্রেন চড়তে। বৃহস্পতিবার তাঁর অভিষেকের ‘নবজোয়ার’ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই বুধবার আপ সরাইঘাট […]
অল্পের জন্য রক্ষা হুগলির দম্পতির! মুম্বই যাচ্ছিলেন তাঁরা।
হুগলি, ৩০ জুলাই:- হাওড়া গামী মুম্বই এক্সপ্রেসে যাত্রী ছিলেন হুগলির খামারগাছির দম্পতি। শ্যামাপ্রসাদ হালদার ও অঞ্জনা হালদার। তাদের বাড়ি হুগলির বলাগড়ের খামারগাছি মুক্তকেশি তলায়।অঞ্জনা হালদার চন্দননগর কমিশনারেটে কর্মরত।তার চিকিৎসার জন্য মুম্বাই যাচ্ছিলেন। ট্রেন দূর্ঘটনার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পরেন যাত্রীদের পরিবার। শ্যামা প্রসাদ বাবুর দাদা রামপ্রসাদ হালদার জানান, দূর্ঘটনা পর তাকে ফোন করে খবর দেন তার […]










