সুদীপ দাস,১৩ মে:- দিনভর নাটকের পরও কোনভাবেই হুগলীর জেলাশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারলেন না বিজেপির দুই সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী ও অর্জুন সিং। প্রসঙ্গত দিনকয়েক ধরে গোষ্ঠীসংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে ভদ্রেশ্বরের তেলিনিপাড়া এলাকা। সেবিষয়েই বুধবার হুগলীর সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী ও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং-এর হুগলীর জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাওয়ের সাথে দেখা করার কথা ছিলো। কথামত সকাল ১১টা নাগাদ চুঁচুড়ায় জেলাশাসক দপ্তরের সামনে উপস্থিত হন সাংসদ অর্জুন সিং। সেখানে এসে তিনি জানতে পারেন ডিএম নয় এ ডিএমের সাথে তিনি দেখা করতে পারেন। এরপরই বেঁকে বসেন সাংসদ। তিনি সটান ডিএম অফিসের সামনেই ফুটপাথে বসে পরেন। তাঁর পাশে বসেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য দীপাঞ্জন গুহ, দলের হুগলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জী সহ দলীয় নেতা কর্মীরা। তখন গোটা ডিএম চত্ত্বরে টানটান উত্তেজনা। মাঝেমাঝেই গেটে থাকা পুলিশ কর্মীদের কাছে ডিএমের সাথে একবার দেখা করার আবেদন এলেও কোন সাড়া মেলেনি। অর্জুন সিং এখান থেকেই জেলাশাসককে চ্যালেঞ্জ করে বলেন আজ উনি কেনো দেখা করলেন না সে বিষয়ে ওনাকে সংসদের বিশেষ কমিটির কাছে জবাব দিতে হবে।
পাশাপাশি আজ থেকে চন্দননগর ও শ্রীরামপুর মহকুমা এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা নিয়েও রাজ্য সরকারকে একহাত নেন অর্জুন বাবু। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ হুগলীর সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী সেখানে এসে অর্জুন সিং-এর পাশে বসে পরেন। বেশ কিছুক্ষন বসে থাকার পর গেটের পুলিশ কর্মীদের সাথে কথা বলে দুই সাংসদ ঢুকে পরেন ডিএম অফিসে। কিন্তু সেখানেও প্রথমে একতলা এবং পরে দোতলায় চলে একপ্রস্থ নাটক। সবশেষে ডিএমের সাথে দেখা না হওয়ায় তাঁরা তেলিনিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু পথে মানকুন্ডু জ্যোতির মোড়ে তাঁদের পথ আটকায় পুলিশ বিশাল পুলিশ বাহিনি। উপস্থিত ছিলেন এসিপি হেডকোয়ার্টার গোলাম সারওয়ার। সেখানে পুলিশের সাথে বেশকিছুক্ষন বচসা চলার পর অবশেষে দুই সাংসদ ফিরে যেতে বাধ্য হন। এদিন লকেট চ্যাটার্জী ডিএম ও সিপির বদলির দাবী করেন। অন্যদিকে লকেট চ্যাটার্জীকে নিখোঁজ চ্যাটার্জী বলে কটাক্ষ করার পাশাপাশি অর্জুন সিংকে গুন্ডা বলে দাবী করেন তৃণমূলের হুগলি জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব। তিনি বলেন উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য এই দুজনকেই অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা উচিত। পাশাপাশি দিলীপ যাদবের বক্তব্য লকেট, অর্জুন, দিলীপ’ মুকুল এদের কাজ শুধু রাজ্যপাল পর্যন্ত যাওয়া এবং সকাল থেকে রাজ্যপালের সাথে ট্যুইট করা।Related Articles
মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার পরিবারের একজনকে চাকরি , আজ নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত।
কলকাতা , ২২ ডিসেম্বর:- রাজ্য সরকার কর্মরত অবস্থায় মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পৌরহিত্যে আজ নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন বিভিন্ন জেলায় কর্মরত অবস্থায় এখনো পর্যন্ত যে ৩৪৫ জন সিভিক ভলেন্টিয়ার এর মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া […]
রাজ্যে সেইল এর দুটি কারখানা সরিয়ে নেওয়ার কোন পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় সরকারের নেই জানালেন মন্ত্রী।
কলকাতা, ১৯ জুন:- রাজ্যে সেইল এর দুটি কারখানা সরিয়ে নেওয়া বা সেখানকার কর্মী সংকোচন করার কোন পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় সরকারের নেই বলে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ইস্পাত মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন। সংস্থার অধীনে থাকা দূর্গাপুর স্টিল প্লান্ট এবং বার্ন পুরের ইস্কো স্টিল প্লান্ট দুটি এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মী সংকোচন […]
বেলুড় সারদাপীঠে চলছে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠান।
হাওড়া , ১২ জানুয়ারি:- কোভিড অতিমারির কারণে বেলুড় মঠে ভক্ত দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। আজ ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৮তম জন্মদিন ও ৩৭তম জাতীয় যুব দিবস। এই উৎসবেও এবার বেলুড় মঠ প্রাঙ্গনে ভক্ত দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রেখেছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। আজ যুব দিবসের অনুষ্ঠানে মঠ প্রাঙ্গনে প্রভাতফেরি ও অন্যান্য সব অঅনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। ৩৭তম […]






