কলকাতা, ১৬ জুন:- রাস্তায় চলছে না সরকারি-বেসরকারি কোনরকম বাস। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে চড়ার অনুমতি নেই। সব কর্মীকে গাড়ি করে অফিসে নিয়ে আসা বা বাড়ি পৌঁছে দেওয়াচর সঙ্গতি নেই বেসিরভাগ অফিসের। এমত অবস্থায় সরকারি নির্দেশ মতো ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে বেসরকারি অফিস চালু করার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণ পরিবহণ ছাড়া সাধারণ চাকুরেদের অফিস পৌঁছানো কি আদৌ সম্ভব? বাস ট্রেন বন্ধ রেখে অফিস চালু করার সিদ্ধান্ত মফস্বলের চাকরিজীবীদের কি নতুন সঙ্কটে ফেলে দিচ্ছে না? উত্তর শহরতলীর ব্যরাকপুর থেকে দক্ষিণের সোনারপুর,
বাগনান থেকে শ্রীরামপুর সর্বত্র বুধবার শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি অফিস চালু হওয়ার প্রথম দিনে দিনভর এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খেয়েছে। গতবার আনলক পর্ব শুরু হওয়ার পরে যানযন্ত্রনায় দূর্বিষহ হয়ে উঠেছিল মফস্বলের নিত্যযাত্রীদের জীবন। অনেকের চাকরি গেছিল। অনেকের জীবীকা নিয়ে টানাটানি পড়েছিল। বেতন কাটা গেছিল অনেকের। এবার কি তারই পূনরাবৃত্তি? অফিস খোলার প্রথম দিনেই আশঙ্কার সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা। পাশাপাশি বাস-ট্রেন-মেট্রো বন্ধ করে রেখে অফিস, বাজার, শপিং মল, রেস্তরাঁ-সহ একাধিক জায়গায় ছাড় দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের একাংশের।







