কলকাতা , ১৬ ডিসেম্বর:- রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আইন না মানলে সুশাসন সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। কলকাতায় আজ এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যে নৈরাজ্য চলছে, পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার চলছে। গণতন্ত্রকে আঘাত করার কাজ চলছে। অন্য রাজ্যের পরিস্থিতি এখানকার মতো নয়। রাজ্যে আইনের শাসন মানা হচ্ছে না। তবে বারবার আইন ভাঙ্গার প্রবণতা বরদাশ্ত করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের রাজ্যপাল কে সরাসরি রাজনীতিতে নামার পরামর্শ প্রসংগে তিনি বলেন,তার রাজনীতি থেকে কিছু পাওয়ার নেই। তবে তার কোনো ত্রুটি থাকলে তিনি তা সংশোধনের প্রস্তুত বলে রাজ্যপাল মন্তব্য করেছেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকম পদক্ষেপ নেবেন বলেও তিনি জানান। রাজ্যপাল বলেন রাজ্যের মন্ত্রী রা তার বিরুদ্ধে যে ভাষায় কথা বলছেন, তা আপত্তিকর।আধিকারিকরা তার প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না, এটা তিনি মানতে পারছেন না।
Related Articles
একদা বন্ধ কলেজে মিউজিয়াম তৈরি করে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের উৎসর্গ চন্দননগরে।
হুগলি, ৬ অক্টোবর:- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কলেজ।স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবের সাক্ষি এমন কলেজের মিউজিয়াম তৈরী করে উৎসর্গ করা হল সেই সব স্বাধীনতা সংগ্রামীদের। চন্দননগর কলেজে ক্যাম্পাসে প্রায় দুশো বছরের প্রাচীন একটি ভবন ছিল।সেই ভবনকে মিউিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়। পাঁচটি ঘর রয়েছে এই মিউজিয়ামে। রয়েছে একাধিক বিপ্লবীদের হাতের লেখা […]
মেয়াদ শেষে পৌরসভা গুলিতে প্রশাসক বসলেও , সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুর-সদস্যদের।
চিরঞ্জিত ঘোষ,৪ মে:- আগামী ২০ মে এ রাজ্যের অধিকাংশ পৌরসভা গুলির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। এবং নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষে এই সমস্ত পুরসভা গুলিতে প্রশাসক বসার কথা। যে সমস্ত পুরসভা গুলির মেয়াদ শেষ হচ্ছে তার মধ্যে হুগলি জেলায় ১৩ টি পৌরসভা ও একটি পুরনিগম আছে । কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এইসব পুরসভার এলাকাগুলিতে কি ভাবে পুর […]
রামেই ” শ্রী ” তৃণমূলের , তৃতীয় বারের জন্য চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী।
সুদীপ দাস, ১৮ ফেব্রুয়ারি:- ৩য় বারের জন্য চন্দননগরের মেয়র হলেন রাম চক্রবর্তী। টানা ৬ বারের কাউন্সিলর তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা। ১৯৯ ৫সালে কংগ্রেসের টিকিটে প্রথমবার চন্দননগর থেকে কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত হন রামবাবু। ২০০০ সালে তৃণমূলের টিকিটে ২য় বারের কাউন্সিলর। ২০০৫ সালে তৃণমূলের টিকিটে জিতে তিনি চন্দননগর পুরনিগমের বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে প্রথমবার চন্দননগর […]










