হুগলি, ১৮ ফেব্রুয়ারি:- হুগলি বিজেপির কোন্দল যেন থামছেই না। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে দলীয় কোন্দল। কয়েক দিন আগে এক নেতাকে অফিসেই মারধোর করার অভিযোগ ওঠে। আর আজ পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে সাংগঠনিক মিটিং এর আগে বিজেপি কর্মিরা নিজেদের মধ্যে বচসায় জরিয়ে পরেন। ভাইরাল ভিডিওতে দলের কর্মিদের বলতে শোনা যায়,” আমরা কেন মানব? মার খেয়েছি। সব সেটিং হয়ে গেলো। এসব চলবে না। চিৎকার চেঁচামেচি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় দলের নেতৃত্বকে সামাল দিতে নামতে হয়। মিটিং শুরু হতেও দেরি হয় বেশ খানিকটা। হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি করা হয়েছে চন্দননগরের সোমবুদ্ধ দত্তকে। সোমবুদ্ধ আগে তৃনমূল ছাত্র নেতা ছিলেন। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বানের আগে তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। রাজ্য বিজেপি তাকে এবার দলের যুব সংগঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। আর তাতেই আপত্তি কর্মিদের। চন্দননগরের এক নেত্রী নতুন সভাপতির পক্ষ নেওয়ায় তাকে হেনস্থা হতে হয় বলে বিজেপি সূত্রে খবর। জেলার অন্য মন্ডল থেকে আসা কর্মিদের অভিযোগ, তৃনমূল করার সময় বিজেপি কর্মিদের উপর অত্যাচার করেছে যে তার নেতৃত্বে দল করতে পারবেন না তারা।
এ প্রসঙ্গে দলের হুগলি জেলা সাধারন সম্পাদক সন্দীপ সাধুখাঁ বলেন, যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে সেটা আমাদের সাংগঠনিক বিষয়। আমাদের জেলা সভাপতি রাজ্য সভাপতি আছেন ওনারা বিষয়টা দেখবেন। বাড়িতে পাঁচটা ভাই থাকলে একজনকে কিছু বেশি দিলে অন্য ভাইরা বলে কেন কম দিলে। আমাদের এত কর্মী আছে কাউকে কম কাউকে বেশি দিলে এটা হতেই পারে এটা আমরা বুঝব। আমাদের মধ্যে কোন ক্ষোভ নেই। সোমবুদ্ধ দত্ত বলেন, যে সময় ছাত্র রাজনীতি করেছি সেটা অতীত। এখন বিজেপি আমার দল। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা করব। নতুন ছেলে তুলে আনব। হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমার কাছে এখনো পর্যন্ত দলের কোন এরকম নির্দেশ আসেনি। আমি জানিওনা কে সভাপতি হয়েছে। নির্দেশ এলে তখন দেখা যাবে। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে নব নিযুক্ত যুব সভাপতিদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। হুগলি সংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি তা জানেন না বলে দাবী তার।





