এই মুহূর্তে জেলা

উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই লোকসভা নির্বাচনে ৪০০ আসন অতিক্রমের ভাবনা মোদির।


নদীয়া, ২ মার্চ:- তৃণমূল বাঙালিদের গরিব বানিয়ে রাখতে চায়। কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প নিজের নামে চালাতে চাইছে তৃণমূল। এখানে পুলিশ নয়, দুষ্কৃতীরা সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন কিভাবে চলবে। শনিবার নদীয়ার কৃষ্ণনগরে প্রকাশ্য জনসভায় এসে বললেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজের মাঠে প্রথমে অল্প সময়ের জন্য প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। এরপরই সেখান থেকে জনসভায় কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ শুরু করেন। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, এবার লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার ৪০০ সিট অতিক্রম করবে। গোটা দেশজুড়ে ২২ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। এ রাজ্যে বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে পেট্রোলিয়াম প্রজেক্ট গুলি আরো মজবুত হবে। রাজ্যে চাকরি এবং রোজগার বাড়ার পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রেও আরব বিকাশ ঘটবে। এখানকার তৃণমূল মানেই অত্যাচার এবং দুষ্কৃতির দ্বিতীয় নাম। তৃণমূল মানেই বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি বলেন নরেন্দ্র মোদী গ্যারান্টি দিয়েছিল কল্যাণীতে এম হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সেখানে এম হাসপাতাল তৈরি হয়েছে।

তাতেও এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পছন্দ হয়নি। বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লাখ করে ফ্রি তে টাকা দেওয়ার সুবিধা করেছে। কিন্তু এরা যে টিএমসি সরকার সেটা লাগু হতে দিচ্ছে না। স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে শুরু করে মেডিকেল কলেজ আরো বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর রাজ্যের পাট চাষীদের কথা মাথায় রেখে এবং যে সমস্ত জুট মিল রয়েছে তাদের কথা মাথায় রেখে আরো অনেক টাকা বরাদ্দ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় তিন লক্ষ কৃষক পিএম কৃষানের লাভ নিয়েছে। টিএমসি মা মাটির মানুষের নাড়া লাগিয়ে মা-বোনদের ভোট নিয়েছে। আজ মা মাটি মানুষ সবাই টিএমসির কু শাসনে ভুগছে। অন্যদিকে সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে করা আক্রমণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্দেশখালীর ঘটনায় রাজ্য সরকার চুপ রয়েছে। মা বোনদের আওয়াজ শুনতে পারছে না। যখন সেখানকার মায়েরা দূর্গা হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেছে তখন রাজ্য সরকার মাথা নত করেছে। রাজ্য সরকার চাই না দুষ্কৃতীরা গ্রেফতার হোক। এখানকার দুষ্কৃতিরাই শেষ কথা বলে কখন তারা সেলেন্ডার করবে আর কখন গ্রেফতার হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন আগামী পাঁচ বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা এই রাজ্যে বরাদ্দ করা হবে। এবারের লোক সবাই প্রায় ৪০০টির বেশি সিট পাবে এনডিএ সরকার।