এই মুহূর্তে কলকাতা

পদস্খলন ইংল্যান্ডের। “হোম” নয়, রোমেই গেল ইউরোপ সেরার শিরোপা।

লোকনাথ সাহা, ১২ জুলাই:- দুই অভিজ্ঞ কোচ। দুই টিমের ডিফেন্স লাইন আপ থেকে আক্রমণভাগ, ফুল ফোটানো মাঝমাঠ, এক কথায় ইউরো কাপের ফাইনাল জমে ওঠার সমস্ত মশলা মজুত ছিল। শুরুটা হয়েছিল সেভাবেই। ম্যাচের দুই মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন লুক সা। এরপর ইংল্যান্ড আরো অনেকবার গোল করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধ জুড়ে বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিল ইতালিও কিন্তু ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিকফোর্ড দুরন্ত দক্ষতায় ইতালির সেই প্রচেষ্টা গুলোকে ব্যর্থ করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মুহুর্মুহু আক্রমণ করতে থাকে ইতালি। কিন্তু তাদের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক এবং ইংল্যান্ডের রক্ষণ। অবশেষে জুভেন্তাস তারকা বোনুচ্চি জটলার মধ্যে থেকে গোল করে ইতালিকে সমতায় ফেরান। ১-১ ফলাফলে শেষ হয় ৯০ মিনিটের খেলা।

এই সময় ইংল্যান্ডের রক্ষণের কাছে ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন ইতালির চিএসা। চোট পেয়ে তাকে বাইরে যেতে হয়। অতিরিক্ত আধঘন্টার পুরো সময়টাই দু’দলই গোল করার চেষ্টা করে গেলেও কোনো দলই গোল করতে পারেনি। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। জর্ডন পিকফোর্ড এবং ইতালির গোলরক্ষক ডোনার কাছে যা ছিল অগ্নিপরীক্ষার সমান। পেনাল্টি স্পেশালিস্ট হিসেবে ১১৯ মিনিটের মাথায় দুটি পরিবর্তন করেন ইংল্যান্ড সাউথগেট। তিনি নামান দুই তরুণ তারকা জর্ডন এবং রাশফোর্ড কে। দু’দলের প্রথম কিকে গোল করে দুদলই। ইতালির দ্বিতীয় শট বাঁচিয়ে দেন পিকফোর্ড। কিন্তু এর পরবর্তী ইংল্যান্ডের তিনটি কিক অবিশ্বাস্য দক্ষতায় সেভ করেন ইতালির গোলরক্ষক ডোনারুমা। এর ফলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় ইতালি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হলেন ইতালির ডোনারুমা।