কলকাতা , ২৭ এপ্রিল:- রাজ্যে সমস্ত করোনা হাসপাতালে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত যোগান সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন সমস্যা নিয়ে মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক দের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের যোগান নিয়ে যাতে কোনো সমস্যা না হয় তার ওপর নিয়মিত নজরদারি করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। সমন্বয় এবং যোগাযোগের অভাবে যাতে অক্সিজেনের সরবরাহ ব্যাহত না হয় তা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এইজন্য প্রশাসনের তরফে হাসপাতাল গুলির সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অক্সিজেন যাতে কালোবাজারির না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে।
Related Articles
সকাল থেকে হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটে পুণ্যস্নান করতে মানুষের ভিড়।
হাওড়া,১৫ জানুয়ারি:- আজ পুণ্য মকর সংক্রান্তি। সকাল থেকে হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটে পুণ্যস্নান করতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাওড়া রামকৃষ্ণপুর ঘাট, চাঁদমারি ঘাট এবং বেলুড়ের বিভিন্ন ঘাটে মকর সংক্রান্তিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যস্নানের জন্য হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটেছে। বিবেকানন্দ ঘাটে আগত ভক্তরা পুণ্যস্নান করছে। নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে বেলুড় মঠ চত্বর। Post […]
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দে উত্তপ্ত গোঘাট।
গোঘাট, ১৬ সেপ্টেম্বর:- বার বার তৃনমুলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উতপ্ত হয়ে উঠছে গোঘাট। এদিনও তার ব্যাতিক্রম হলো না। তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হলো এক তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে গোঘাট থানার পশ্চিমপাড়া পঞ্চায়েতের সুন্দরপুরের বাবুরামপুরে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত তৃণমূল কর্মীর নাম নয়ন চট্টোপাধ্যায়। আহত কর্মির অভিযোগ কাশিনাথ নন্দীর নামে এক তৃনমুল কর্মীর বিরুদ্ধে। কাশিনাথ আগে বিজেপি করত বর্তমানে সে […]
কোন্নগর পুরসভার উদ্যোগে হয়ে গেল হাতে খড়ি উৎসব।
হুগলি,৩০ জানুয়ারি:- কোন্নগর পুরসভার উদ্যোগে হয়ে গেল হাতে খড়ি উৎসব। বৃহস্পতিবার কোন্নগর রবীন্দ্রভবনে কয়েকশো ছোট ছোট বাচ্ছার হাতে খড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করে কোন্নগর পুরসভা।উপস্থিত ছিলেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল,কোন্নগর পুরসভার পুরপ্রধান বাপ্পাদিত্য চ্যাটার্জী সহ পুরসভার সমস্ত কাউন্সিলররা।এদিন বিধায়ক নিজে কোলে বসিয়ে বাচ্ছাদের হাতে খড়ি দেন।পুরসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে কোন্নগরের সমস্ত মানুষ। Post Views: 393







