নদিয়া ৭ জুন:- আবারো গোষ্ঠী কোন্দল শাসকদলের। ব্যাপক বোমাবাজি। চলল বাড়িঘর ভাঙচুর। ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। নদীয়া শান্তিপুর থানার ফুলিয়ার ঘটনা। সূত্রের খবর,আরফান ঝরে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন তাদের নতুন করে ঘর তৈরীর জন্য টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকার। অভিযোগ, সেই টাকা সাধারণ মানুষকে না দিয়ে শাসকদলের প্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যরা আত্মসাৎ করেছে যা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে তৃণমূলের অন্দরেই চাপা উত্তেজনা চলছিল। অভিযোগ গতকাল গভীর রাতে,নদীয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়ার যুবনেতা শুভঙ্কর মুখার্জি নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন যুবক হাতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বোম নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। তৃণমূলের অপর এক গোষ্ঠী পঞ্চায়েত প্রধান উৎপল বসাকের ঘনিষ্ঠদের মারধোর করে। অভিযোগ, এরপর উৎপল বসাকের ঘনিষ্ঠরা ও পাল্টা হামলা চালায়। কয়েকজনের ঘর ভাঙচুর করে। সেই সঙ্গে একটি টোটো এবং অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করা হয়। গভীর রাতে চলে এলাকায় বোমাবাজি। অভিযোগ দুষ্কৃতীদের প্রত্যেকের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। যদিও ঘটনার সম্পর্কে উভঢয় গোষ্ঠী অস্বীকার করেছে। উভয় পক্ষই পাল্টা অভিযোগের কথা দাবি করেছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে শান্তিপুর থানার পুলিশ। পুলিশ এলে দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। যদিও এলাকাজুড়ে এখনো ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।
Related Articles
রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
হাওড়া, ২৪ মার্চ:- রামপুরহাট গণহত্যার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। হাওড়া ডুমুরজলা হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে এদিন দুপুরে রওনা দেন তিনি। গতকালই তিনি ঘোষণা করেছিলেন আজকের নির্ধারিত সময়ে তিনি যাবেন রামপুরহাটে বগটুই গ্রামে। যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে তিনি পরিদর্শন করবেন। এমনকি সেই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করবেন। এছাড়াও যারা হাসপাতালে ভর্তি আহতদের […]
প্রবেশ নিষিদ্ধ , বড়দিন পালিত হয় না চুঁচুড়ার এই চার্চে !
সুদীপ দাস, ২৪ ডিসেম্বর:- সালটা ছিলো ১৬৯৫ খ্রীষ্টাব্দ। চুঁচুড়ার শেষ ডাচ গভর্নর ড্যানিয়েল অ্যান্টনী ওভারবেক এই চার্চের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তৎকালীয় আর্মেনিটোলা আজ চুঁচুড়ার মোঘলটুলি এলাকা। ইতিহাস বলছে বাংলার প্রথম গীর্জা হুগলীর ব্যান্ডেল চার্চ। যা ১৫৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। আর বাংলার ২য় গীর্জাও হুগলীতেই প্রতিষ্ঠিত চুঁচুড়ার এই আর্মেনিয়ান চার্চ। একতল বিশিষ্ট এই গীর্জা চুঁচুড়া শহরে কয়েক […]
প্রথম দফার ভোটে প্রয়োজনের থেকে অনেক কম কেন্দ্রীয় বাহিনী।
কলকাতা, ৪ এপ্রিল:- প্রথম দফাতেই মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে সুষ্ঠু এবং স্বাভাবিক করার জন্য নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই বদ্ধপরিকর ছিল কিন্তু বর্তমান যে পরিস্থিতি সেই পরিস্থিতি কিন্তু অনেকটাই আলাদা। রাজ্যে এখন সব মিলিয়ে ১৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন হতে চলেছে। এই দফায় যদি প্রত্যেকটি বুথ […]









