তরুণ মুখোপাধ্যায়,২৫ এপ্রিল:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রিষড়া পুরসভা করোনার মতন ভয়ংকর ব্যাধি থেকে প্রত্যেক পৌরবাসী কে সুস্থ রাখতে সমস্ত রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে । পুরপ্রধান বিজয় সাগর মিশ্র জানান রিষড়া শহর মিস্র ভাষাভাষীর অঞ্চল। আমাদের পৌর এলাকায় ভারতবর্ষের প্রায় সব প্রদেশের মানুষ বাস করেন । শিল্প নগরী হিসেবেও পরিচিত হুগলি জেলার এ এই অঞ্চল। মিনি ভারতবর্ষ হিসাবে পরিচিত আমাদের শহর ।তাই এই এখানকার মানুষদের নাগরিক সুখ সছন্দ সহ সমস্ত কিছুর উপর নজর রাখতে নানাবিদ ব্যবস্থা নিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রিষড়া পুরসভা ।এই ভয়ঙ্কর বিপদের দিনে মানুষের পাশে থাকতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এখানকার প্রতিটি মানুষের বিশেষ করে গরিব মানুষরা যাতে কোনরকম কষ্টের মধ্যে না পড়েন তার ব্যবস্থা করা হয়েছে ।প্রত্যেকটি ওয়ার্ড এর গরিব মানুষদের লকডাউন হবার শুরুর সঙ্গে সঙ্গে যাতে তাদের খাদ্যের কোন অভাব না হয় তাই তাদের জন্য খাদ্যবস্তু সরবরাহের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও যাতে মানুষ রান্না করা খাবার পেতে পারেন তার জন্য একটি কমিউনিটি কিচেন চালু হয়েছে । প্রতিদিন সেখান থেকে রান্না করা খাবার দুস্থ পরিবার গুলি কে সরবরাহ করা হচ্ছে ।
এছাড়াও পৌরবাসীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা ডাক্তারবাবুরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে ।পুর প্রধানের দাবি এখনো পর্যন্ত আমাদের এই পুর এলাকায় একটা ও করোনা পজিটিভ রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। কিন্তু তা বলে থেমে থাকলে তো চলবে না। যার জন্য আমাদের ডাক্তারবাবুরা সর্বদা সজাগ আছেন। অ্যাম্বুলেন্স সহ সব রকম পরিষেবা দেবার জন্য পুরোসভার পক্ষো থেকে একটি হেল্প লাইন চালু রয়েছে 24×7 যে কোনো রকম সাম্যের জন্য পুরো সভা প্রস্তুত। সম্প্রতি পুরসভার প্রবেশের মুখে একটি সানিটাইজ চ্যানেল বসানো হয়েছে। পুরসভার যেকোনো নাগরিক পৌরসভার যে কোন কাজে আসতে গেলে তাকে সেই চ্যানেলের মধ্য দিয়ে আসতে হবে ।এবং সেখানে তাদের সানিটাইজ করার বন্দোবস্ত করা হয়েছে । বিজয় বাবু বলেন এই ভয়ঙ্কর বিপদের দিনে মুখ্যমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন সকলকে একসঙ্গে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ভয়ঙ্কর বিপদ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে হবে । আমরা তার সেই নির্দেশ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি এবং আমাদের পুরসভার সমস্ত পুরো প্রতিনিধিরা কর্মীরা বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং সাফাই কর্মীরা অঙ্গীকারবদ্ধ যেকোনো মূল্যে আমরা সকলের মঙ্গলের দিকে নজর দিয়ে কাজ করে যাব । তিনি বলেন আগামীকাল অক্ষয় তৃতীয়া ।অক্ষয় তৃতীয়ার প্রাক্কালে একটাই অনুরোধ আপনারা সকলে এই সময় বাড়িতে থাকুন সুস্থ থাকুন, নিজে বাঁচুন সমাজকে বাঁচান, রাজ্য কে বাঁচান এবং দেশকে বাঁচান আগামী দিনে সুস্থ সুন্দর পৃথিবী যাতে আমরা পেতে পারি সেই লক্ষ্যে আসুন আমরা শপথ নিই।Related Articles
আর্তের পাশে ত্রাতা পুলিশ। পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার।
হাওড়া,৯ এপ্রিল:- করোনার জেরে লকডাউন পরিস্থিতিতে এখনো অনেক মানুষ কার্যত কর্মহীন। ঠিকমতো খাবার জুটছে না অনেকের। এই পরিস্থিতিতে হাওড়া সিটি পুলিশের তরফ থেকে প্রতিদিন দু’বেলা রান্না করা খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে আর্ত অসহায় মানুষের হাতে। বিশেষ করে যারা ভবঘুরে যাদের মাথায় ছাদ নেই বা যারা ফুটপাতে থাকেন এরকম অনেক মানুষকে দুপুরে ও রাতে রান্না […]
দলত্যাগী বিজেপি নেতার মান ভাঙাতে উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রীরামপুরে।
হুগলি , ২৪ মার্চ:- দলের শীর্ষ নেতার কথা মেনে নিয়ে দলে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন বিজেপির রাজ্য নেতা ভাস্কর ভট্টাচাৰ্য। বুধবার বিকালে ভাস্কর বাবুর শ্রীরামপুরের বাড়িতে আসেন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মোর্য। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় তার নাম না থাকায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে গত ১৬ই মার্চ দলের সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগের চিঠি দেন রাজ্য […]
রাজ্য লটারি বন্ধ থাকায় ডিরেক্টরের কর্মীদের অন্যত্র কাজে লাগানোর উদ্যোগ সরকারের।
কলকাতা, ১৬ নভেম্বর:- রাজ্য লটারি বর্তমানে বন্ধ থাকায় ডিরেক্টরের কর্মীদের অন্যত্র কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে বদলি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এইসব কর্মীদের অর্থ দপ্তরের অন্যান্য ডিরেক্টরেটে পাঠানো হচ্ছে। লটারি ডিরেক্টরেট প্রধান কাজ ছিল রাজ্য সরকারের বিভিন্ন লটারি পরিচালনা করা। কিন্তু ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারির পর রাজ্য সরকারের আর্থিক পুরস্কারের লটারি অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে এই […]









