হুগলি, ৩ ফেব্রুয়ারি:- পান্ডুয়া থানার ঠিক পাশেই অবস্থিত এটা চনাচক্রের স্কুল এসআই অফিস যা সাব-ইন্সপেক্টর স্কুল, ইটাচুনা সার্কেল ও সার্কেল প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর অফিস নামে পরিচিত—সেখানেই এসআইআর হেয়ারিং-এর জন্য তৈরি করা হয়েছে কেন্দ্র। অথচ সেই সরকারি শিক্ষা দপ্তরের অফিস চত্বরেই উঠে এল শিক্ষার এক চরম অবমাননার ছবি। একদিকে যখন এসআইআর হেয়ারিং চলছে, অন্যদিকে সেই অফিসেরই শৌচালয়ের সামনে খোলা জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্কুলের বইপত্র। বইগুলি পুরনো নাকি নতুন শিক্ষাবর্ষের তা জানা যায়নি। আর এই ভিডিও ভাইরাল হতেই তুমুল আলোড়ন করেছে পান্ডুয়ায়। হেয়ারিং এ আসা এক ব্যক্তি জানান, এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বাথরুমের মধ্যে কি কিভাবে বই থাকে? এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম—তিন প্রধান রাজনৈতিক দল। পান্ডুয়ার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আমজাদ হোসেন কটাক্ষ করে বলেন, শিক্ষা দপ্তর আর বাথরুম সমার্থক শব্দ হয়ে গেছে।
পশ্চিমবাংলা শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল হয়ে গেছে। তাই নোহাজার স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার তাই বই পত্র তো বাথরুমে থাকবেই। আসলে তারা দপ্তর টাকেই তুলে দিতে চায়। বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, একটা নোংরা জায়গায় স্কুলের বই রাখা রয়েছে। বই আমাদের কাছে বিদ্যার। যেখান থেকে শিক্ষার আলো বেরোয় সমাজ শিক্ষিত হয় সেই বইকে কোথায় রাখতে হয় তার নূন্যতম জ্ঞান নেই। এরা আবার সমাজকে শিক্ষার আলো দেবে? এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, এটা চরম নিন্দনীয়, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমি শিক্ষা দপ্তরে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানাবো। দু একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য সরকারের মান সম্মান ধুলোয় লুটিয়ে যাবে এটা কোনভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। ইটাচুনা চক্রের এসআই সন্তু ফৌজদার জানান, আমরা গোটা বিষয়টাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমি এসআই হেয়ারিং এ ছিলাম মাধ্যমিকের ডিউটিতে রয়েছি।








