চিরঞ্জিত ঘোষ,১০ এপ্রিল:- বৃহস্পতিবার ডানকুনির তিনটি ক্লাব সংগঠন প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি নিয়ে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে। হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা এবং জেলা পরিষদের পূর্ত দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় তার জন্মদিনটি রক্তদান উৎসব এর মধ্যে পালিত করল সংগঠনের সদস্যরা। সকাল থেকে প্রচুর মানুষ ডানকুনি এবং তার আশপাশের এলাকা থেকে এসে সোশ্যাল ডিসটেন্স মেনে রক্তদান করে যান । এর জন্য সুবীর মুখোপাধ্যায় কৃতজ্ঞতা জানান ডানকুনির ক্লাব সংগঠনগুলিকে। তিনি জানান এই মুহূর্তে রক্তের একটা ভয়ঙ্কর সংকট চলছে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সময় পুলিশ কর্মীদের কাছে আবেদন করেছেন । পুলিশ কর্মীরা যেন রক্ত দিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের পাশে দাঁড়ান । কারণ এই সময়ে কোন রক্তদান শিবির করা যাচ্ছে না ।
যেহেতু সোশ্যাল ডিসটেন্স একটা বড় ব্যাপার। সেই মতো পুলিশ বহিনী প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রক্ত দিচ্ছেন সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন রক্তদানের প্রয়োজনীয়তাটা কত বড় ব্যাপার সেটা আমার জীবন দিয়ে আমি বুঝেছি । কারণ আজ থেকে কুড়ি বছর আগে একটা ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা আমি যখন প্রায় মৃত্যুপথযাত্রী ছিলাম সেই সময় যখন আমাকে কলকাতায় নার্সিংহোমে নিয়ে যাচ্ছিল অ্যাম্বুলেন্সে করে তখন আমার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় সেই সময় যখন আমাকে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হল ডাক্তারবাবুরা বললেন এই মুহূর্তে মুহূর্তে প্রচুর রক্তের প্রয়োজন । কিন্তু সেদিন প্রথম যে ব্যক্তিটি আমায় আমার বেডের পাশে শুয়ে রক্ত দিয়েছিলেন সেই অ্যাম্বুলেন্স চালক আমাকে স্বাধীন প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন পরবর্তীকালে আরো অনেকে রক্ত দিয়েছিল। কিন্তু সেদিন যদি উনি রক্ত না দিতেন তাহলে আমি আর তাহলে আজ বেঁচে আপনাদের সামনে কথা বলতে পারতাম না । আমার বাবা নেই মা ও গত হয়েছেন আমি মনে করি আমার যেই আম্বুলান্স চালক আমায় রক্ত দিয়েছেন তিনি আমার দ্বিতীয় জন্মদাতা আমি তাকে কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্মরণ করি ।প্রতিবছর যাই কিন্তু এবছর যেহেতু একটা চলছে আমরা কেউ বের হতে পারছি না আমি ফোনে তাকে আমার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি তার সঙ্গে সঙ্গে এদিন ডানকুনি টোল প্লাজা একজন সাধারণ কর্মী স্বপন মান্না মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে পাঁচ হাজার টাকার একটি চেক সুবির বাবুর হাতে তুলে দেন । সুবীরবাবু বলেন আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বক্ষণের কর্মী তার এই যে দান সেটা আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে আমরা নিলাম এবং আমরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তাহলে পাঠিয়ে দিচ্ছি । এছাড়াও এখানকার বিভিন্ন ক্লাব সংগঠন প্রায় এক লাখ টাকার মতন মুখ্যমন্ত্রী তাহলে তুলে দিয়েছেন আমরাও তাদের আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।Related Articles
শিশুদের করোনা সংক্রমন আটকাতে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যাবস্থা নিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।
কলকাতা, ৩ মে:- করোনা সংক্রমনের তৃতীয় ঢেউ এবং এতে শিশু ও সদ্যোজাতদের বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কার প্রেক্ষিতে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। সম্ভাব্য পরিস্থিতির মোকাবিলায় সমস্ত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখতে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং কলকাতার সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুলিকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। […]
ফ্যামিলি পেনশন অনুমোদনে দ্রুততা আনতে উদ্যোগী হলো রাজ্য।
কলকাতা, ১ মার্চ:- ফ্যামিলি পেনশন শুরুর অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে দ্রুততা আনতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। রাজ্যের অর্থদফতর বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে বিভিন্ন সরকারি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় নথি, তথ্য প্রভৃতি ঠিকমতো না পাঠানোর জন্য অনেক সময় ফ্যামিলি পেনশন অনুমোদন পেতে খুব দেরি হচ্ছে। সরকার চাইছে, ফ্যামিলি পেনশনের বিষয়গুলির দ্রুত নিস্পত্তি হোক। এই কারণে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী […]
রাজ্য সরকারের ই-পাস নিয়ে নিজেদের টাকায় সিঙ্গুরে ফিরলেন বেনারসে আটকে থাকা পর্যটকরা।
হুগলি,৮ মে:- ভীন রাজ্যের আজমির শরিক থেকে যখন পর্যটক সহ পরীযায়ী শ্রমীকদের বিশেষ ট্রেনে এই রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তখন উল্টোদিকে এই রাজ্যের হুগলির সিঙ্গুর এলাকার ১৭ জন বয়স্ক পর্যটকরা উত্তরপ্রদেশের বেনারসের একটি হোটেলে গৃহবন্দি রয়েছে। গত ২২ শে মার্চ বেনারস থেকে ট্রেনের ফেরার টিকিট কাটা ছিল। কিন্তু লকডাউনের জেরে আটকে রয়েছে বেনারসের পি.এম. গঙ্গা […]









