কলকাতা , ১৪ জানুয়ারি:- নিউটাউন সুলঙগুড়ি উত্তরপাড়া এলাকায় বিধ্বংসী অগ্নিকান্ড। ঝুপড়ি বাড়িতে বেশ কিছুক্ষন আগে বাসিন্দারা আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপরেই তড়িঘড়ি বাসিন্দারা যেটুকু পেরেছেন জিনিস সঙ্গে নিয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন। তবে কতগুলো বাড়ি পুড়েছে এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। এলাকার বাসিন্দারা একদিকে নিজেরাই বালতি করে যে যেভাবে পেরেছেন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে দমকলকেও খবর দেওয়া হয়। ঘিঞ্জি এলাকা এবং শুরু রাস্তা হওয়াতে মাঝ পথেই আটকে যায় দমকলের গাড়ি। স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় আগুন ঘন্টা খানেক পর নিয়ন্ত্রণে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিধাননগর পুর নিগমের প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য তাপস চ্যাটার্জি। ঘটনাস্থলে নিউটাউন থানার পুলিশ। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যাইনি।
Related Articles
চাঁপদানিতে মন্দির উদ্বোধনে পৌরপ্রধান।
প্রদীপ বসু, ১৫ জানুয়ারি:- মকর সংক্রান্তির সন্ধ্যায় মহাসমারহে নব নির্মিত শিব মন্দিরের শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল চাপদানি পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের খা পুকুরের আর বি এস রোডের রাস্তার পাশে। ফিতে কেটে মন্দিরের উদ্বোধন করেন পৌর প্রধান সুরেশ মিশ্র। এরপর পৌরপ্রধান মন্দিরে প্রবেশ করে পুরোহিতের সঙ্গে মন্ত্রচারণ করেন। মন্দিরের সামনে হোম যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। মঞ্চে […]
ডিসেম্বর থেকেই চালু হচ্ছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কিন্তু স্কুল খোলা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয় রাজ্যের
কলকাতা , ২ নভেম্বর:-কলকাতা , ২ নভেম্বর:- করোনা আবহের মধ্যেই যাবতীয় স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিধি মেনে আগামী মাস থেকে রাজ্যের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পঠন-পাঠন শুরু হচ্ছে।তবে কবে থেকে স্কুল খুলবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ক্লাস বন্ধ আছে। অনলাইন ক্লাস হলেও স্কুলে পঠনপাঠন শুরু […]
মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত , নোনা জলে ধান চাষ নতুন করে এনে দিয়েছে লক্ষী চাষীদের ঘরে।
কলকাতা, ২৮ ডিসেম্বর:- বাঁধ ভাঙা নোনা জলে ডুবে যাওয়া জমিতে মাথা দোলাচ্ছে সোনালী ধান! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই স্বপ্ন আজকে বাস্তবায়িত। মূলত তারই উদ্যোগ এবং পরিকল্পনায় বন্যা প্লাবিত এলাকায় নতুন প্রজাতির নোনা স্বর্ণ ধান চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নোনা জলেও যে ধান চাষ সম্ভব। সরকারের বিতরিত সেই ধান নতুন করে লক্ষ্মী এনে দিয়েছে চাষীর ঘরে। […]








